1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নতুন বেতন কাঠামোয় বাড়তি বেতন ১ নভেম্বর, পাবেন না অনেকে ডিকশনারি ডটকমের বর্ষসেরা শব্দ ‘ম্যাক্সিং’—কী এর অর্থ? ৬০ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব মাইক্রোসফটের মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক সেমিনারে গবেষণা পোস্টার আহ্বান রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকে নতুন এমডি, বেসরকারি ব্যাংক থেকে দুজন খুলনা বিভাগে এক দিনে ডেঙ্গু ও হামে ৮ জনের মৃত্যু টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের সমীকরণকে অনুপ্রেরণা মানছেন শান্ত প্রথম টেস্টের আগে অনুশীলনে মুশফিকের চোট জাপানে জেরা’র এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আজ বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৪ Time View

ব্যর্থতাকে আমরা সাধারণত হতাশা ও পরাজয়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখি। কোনো কাজে সফল না হলে অনেকেই নতুন করে চেষ্টা করার সাহস হারিয়ে ফেলেন। অথচ ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং ব্যর্থতার পর আবার উঠে দাঁড়ানোই সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ব্যর্থতাকে ভয় না পেয়ে তা থেকে শেখার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১৩ অক্টোবর পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা দিবস।

প্রতি বছর এ দিনে মানুষকে ব্যর্থতাকে নতুনভাবে দেখার আহ্বান জানানো হয়। এ দিবসের মূল লক্ষ্য হলো, ব্যর্থতাকে লজ্জা বা পরাজয় হিসেবে না দেখে শেখা, আত্মবিশ্বাস অর্জন এবং নিজেকে উন্নত করার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করা।

দিবসটি মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, প্রতিটি চেষ্টা সফল না হলেও তা থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করা সম্ভব। ভুলের কারণ বুঝতে পারলে পরবর্তী চেষ্টায় আরও ভালো করার সুযোগ তৈরি হয়। তাই ব্যর্থতার ভয় যেন নতুন কিছু শেখা বা উদ্যোগ নেওয়ার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেই বার্তাই দেওয়া হয় এ দিনে।

যেভাবে শুরু আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা দিবস

২০১০ সালে ফিনল্যান্ডের আল্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থীর উদ্যোগে দিবসটির সূচনা হয়। সে সময় ফিনল্যান্ডে নতুন ব্যবসা ও উদ্যোগ শুরু করার ক্ষেত্রে ব্যর্থতার ভয় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এ পরিস্থিতি বদলাতে শিক্ষার্থীরা ব্যর্থতাকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ এবং তা থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য একটি বিশেষ দিবস পালনের প্রস্তাব দেন।

এরপর ধীরে ধীরে দিবসটির পরিচিতি বাড়তে থাকে। ২০১২ সালের মধ্যে বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হতে শুরু করে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও এতে যুক্ত হয়। তাদের লক্ষ্য ছিল, ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে নেওয়ার মাধ্যমে নতুন উদ্যোগ, সৃজনশীলতা ও ঝুঁকি নেওয়ার সাহস বাড়ানো।

বর্তমানে প্রতি বছর ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা দিবস পালিত হয়। এ দিবসের মাধ্যমে ব্যর্থতা নিয়ে সামাজিক নেতিবাচক ধারণা কমানো এবং সাফল্যের পথে ভুলের ভূমিকা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়।

ব্যর্থতা দিবস পালনের একটি উপায় হলো নিজের ভুল বা ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া। কর্মক্ষেত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা বন্ধুদের আড্ডায় এমন আলোচনা হতে পারে। এতে বোঝা যায়, ভুল করা কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়; বরং তা থেকে শেখার সুযোগ রয়েছে।

এ দিনে নতুন কোনো কাজের চ্যালেঞ্জ নেওয়া যেতে পারে। যেমন, নতুন কোনো দক্ষতা শেখা, ছবি আঁকা কিংবা সহজ কোনো খেলা বা সৃজনশীল কাজের চেষ্টা করা। লক্ষ্য নিখুঁতভাবে কাজটি শেষ করা নয়, বরং চেষ্টা করার অভিজ্ঞতা অর্জন করা।

কর্মশালার আয়োজন করেও দিবসটি পালন করা যায়। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা ভুলের ভয় ছাড়াই নতুন দক্ষতা শেখার সুযোগ পাবেন। একইভাবে এমন চলচ্চিত্র দেখা যেতে পারে, যেগুলো প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। পরে সেগুলোর ব্যর্থতার কারণ ও সম্ভাব্য বিকল্প নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।

ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা মানুষকে নিজের দুর্বলতা বুঝতে, ভুল সংশোধন করতে এবং নতুনভাবে পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে। কোনো উদ্যোগ প্রত্যাশামতো সফল না হলে হতাশ হয়ে থেমে যাওয়ার বদলে কী শেখা গেল, তা খুঁজে বের করা জরুরি।

আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা দিবসের মূল বার্তাও তাই—ব্যর্থতা জীবনের শেষ নয়। প্রতিটি চেষ্টা থেকে কিছু না কিছু শেখা যায়। সেই শিক্ষা কাজে লাগিয়ে আবার চেষ্টা করার মধ্য দিয়েই তৈরি হয় এগিয়ে যাওয়ার পথ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ