1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আওয়ামী লীগ আমলে ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছেন: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তিতুমীর জয়পুরহাটের ডিসিকে অপসারণে ছাত্রদলের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম বিবিএসকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছি: অর্থমন্ত্রী মিস ইউনিভার্সের ৭৫তম আসরে বাংলাদেশের হয়ে লড়বেন মাহি রোহিঙ্গা সংকট মিয়ানমারের, তাদেরই সমাধান করতে হবে: আইনমন্ত্রী দেশের তিন জেলায় বিজিবি মোতায়েন গ্রাহকসেবা বাড়াতে খুলনায় ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের বৈঠক দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকেও ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায় সাদমান স্টেম দিবস: চাকরির বাজার বদলে যাচ্ছে, বাংলাদেশ কি প্রস্তুত? সাভার-আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে কাজে ফিরেছেন পোশাক শ্রমিকরা

আওয়ামী লীগ আমলে ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছেন: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তিতুমীর

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৮ Time View

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

তিনি বলেন, ওই সরকারের আমলে প্রকৃত চিত্র আড়াল করে পরিসংখ্যানকে মিথ্যাচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রকৃত পরিস্থিতি তুলে ধরার পরিবর্তে তথ্য বিকৃত করে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে।

অতীতের পরিসংখ্যান জালিয়াতির উদাহরণ তুলে ধরে তিতুমীর বলেন, তৎকালীন সরকারের আমলে নৌ শুমারিতে দেশে ইঞ্জিনচালিত নৌকার সংখ্যা দেখানো হয়েছিল মাত্র ১৩ হাজার। কিন্তু পরবর্তী অনুসন্ধানে প্রকৃত সংখ্যা পাওয়া গেছে ২ লাখ ৬৭ হাজার।

রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য 'নির্ভরযোগ্য ও সহজলভ্য পরিসংখ্যান—টেকসই উন্নয়ন ও পরিকল্পনার ভিত্তি'।

তিতুমীর বলেন, অতীতের শাসনামলে পরিসংখ্যানকে মিথ্যাচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তথ্য বিকৃতি ও কৃত্রিম পরিসংখ্যান তৈরির এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে জাতীয় তথ্যব্যবস্থায় তিনটি বড় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অতীতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা বণ্টনেও ব্যাপক অনিয়ম ছিল। প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বাদ পড়েছেন, অন্যদিকে অযোগ্য ব্যক্তিরা সরকারি সহায়তা পেয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক আলোচনা সভায়ও সঠিক তথ্যের অভাব এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির তালিকায় এ ধরনের অনিয়মের বিষয়টি উঠে আসে।

জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থার প্রথম সংস্কার হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে বিজ্ঞানসম্মত ও নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত জাতীয় হিসাব পদ্ধতি অনুসরণ করে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তথ্য বস্তুনিষ্ঠভাবে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ভৌগোলিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে যথাযথভাবে তথ্য সংগ্রহ করছেন কি না, তা প্রযুক্তির মাধ্যমে তদারকি করা হবে। সংগৃহীত তথ্য সংরক্ষণে আধুনিক তথ্যকেন্দ্র ও সমন্বিত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা হচ্ছে।

দ্বিতীয় সংস্কারের লক্ষ্য বিজ্ঞানভিত্তিক জননীতি প্রণয়ন এবং সরকারি সেবার সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করা। এ জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে প্রকৃত অসচ্ছল ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে 'প্রক্সি মিনস টেস্ট' পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।

নতুন করে দরিদ্র হয়ে পড়া প্রায় ৮০ লাখ মানুষের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রকৃত অসচ্ছল নারী ও পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ডের সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তৃতীয় সংস্কারের লক্ষ্য ডিজিটাল জনকাঠামো গড়ে তোলা। এ জন্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের তথ্যভান্ডারের মধ্যে সমন্বয় ও তথ্য বিনিময়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জনসংখ্যা নিবন্ধনের সঙ্গে স্থানীয় সরকারের জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং টেলিযোগাযোগ খাতের তথ্যভান্ডার যুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে সমন্বিত ও কার্যকর জাতীয় তথ্য অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিতুমীর বলেন, তথ্য জালিয়াতি ও অপতথ্যনির্ভর হাইব্রিড যুদ্ধ মোকাবিলায় নির্ভরযোগ্য জাতীয় তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। সঠিক তথ্যের ভিত্তিতেই রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন, সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং জনগণের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মো. ফিরোজ সরকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভাটি আয়োজন করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ