1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অক্টোবরেও অব্যাহত রেমিট্যান্সের সুবাতাস, যত টাকা পাঠালেন প্রবাসীরা স্নাতক পাসে চাকরি দিচ্ছে মধুমতি ব্যাংক, আবেদন করতে হবে অনলাইনে শ্রমিক বিক্ষোভে বাতিল শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনতে মালিক-শ্রমিক-পুলিশ-সাংবাদিক ঐক্য চান শিমুল বিশ্বাস জুলাই-অক্টোবরে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ৬ শতাংশ ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ, ৪৫ পোশাক কারখানা ছুটি রূপালী ব্যাংকের ১৯,৮০৫ কোটি টাকা খেলাপি ঋণের অর্ধেকই আটকে আছে ২০ ঋণগ্রহীতার কাছে গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ: অন্তত ১০০ কারখানায় ছুটি, বিকেলে যান চলাচল শুরু শেষ ঠিকানা পেলো বরিশালের নৌকায় বসবাসকারী মান্তা সম্প্রদায় গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলন ঠেকাতে মাঠে নামলেন এমপিসহ বিএনপি নেতারা

অগ্নিঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গুরুত্ব

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭৫ Time View

নিরাপত্তা ও সুরক্ষাবিষয়ক দেশীয় উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক মেলবন্ধন ঘটাতে রাজধানীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি এক্সপো বাংলাদেশ ও ইন্টারন্যাশনাল অকুপেশনাল সেফটি, হেলথ অ্যান্ড ফায়ার এক্সপো বাংলাদেশ ২০২৬’।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। প্রযুক্তি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান আই-স্টেশন লিমিটেড এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) যৌথ উদ্যোগে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রদর্শনী চলবে আগামীকাল শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত।

আয়োজনের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় আইসিসিবির নবরাত্রি হলে ‘বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক নিরাপত্তা জোরদার: চ্যালেঞ্জ, প্রযুক্তি ও করণীয়’ শীর্ষক দ্বিতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেফটি অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি জেনারেল জাকির উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় সেমিনারে প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেসের সম্মানিত ফ্যাকাল্টি সদস্য এ কে এম মাসুম উল আলম, সেফটি অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ খান, সহসভাপতি স্থপতি মো. ইকবাল হাবিব, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সাবেক সভাপতি ও মেট্রোনেট বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আলমাস কবির, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার এবং সেফটি ফায়ার অ্যান্ড ইমার্জেন্সি রেসপন্স স্পেশালিস্ট ফয়সাল আহমেদ।

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেসের ফ্যাকাল্টি সদস্য এ কে এম মাসুম উল আলম কর্মক্ষেত্রে পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য, শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের পাশাপাশি কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি।’

সেফটি অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ খান কর্মক্ষেত্র ও স্থাপনায় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অগ্নিঝুঁকি প্রতিরোধ, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বিত প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, ‘কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত নিরাপত্তা মূল্যায়ন এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় যথাযথ প্রস্তুতি ও সমন্বয় নিশ্চিত করা গেলে কর্মক্ষেত্র ও স্থাপনায় দুর্ঘটনা ও ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।'

নিরাপদ ভবন নির্মাণ, পরিকল্পিত নগরায়ণ, জননিরাপত্তা এবং অগ্নিঝুঁকি বিবেচনায় রেখে অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন সেফটি অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি স্থপতি মো. ইকবাল হাবিব বলেন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে ভবন নির্মাণ ও নগরপরিকল্পনার প্রতিটি পর্যায়ে জননিরাপত্তা, অগ্নিনিরাপত্তা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। স্থাপত্য, নগর উন্নয়ন ও জনপরিসর-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্পে তার পেশাগত অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি এ বিষয়ে সমন্বিত পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির প্রযুক্তি ও শিল্পখাতের অভিজ্ঞতার আলোকে কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরিতে আধুনিক প্রযুক্তির ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রচলিত ব্যবস্থার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান, স্মার্ট মনিটরিং ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। প্রযুক্তি ও শিল্পখাতের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে নিরাপদ ও দক্ষ কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।’

অগ্নি প্রতিরোধ, অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ, জরুরি পরিস্থিতিতে প্রস্তুতি এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম. এ আজাদ আনোয়ার। তিনি বলেন, নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারি সংস্থা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, স্থপতি, প্রকৌশলী, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

অগ্নিনিরাপত্তা, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা, নিরাপদ উচ্ছেদ ব্যবস্থা, প্রশিক্ষণ এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে সেফটি ফায়ার অ্যান্ড ইমার্জেন্সি রেসপন্স স্পেশালিস্ট ফয়সাল আহমেদ বলেন, ‘একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দুর্ঘটনা বা অগ্নিকাণ্ডের পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আগে থেকেই ঝুঁকি চিহ্নিত ও প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। কর্মক্ষেত্রে পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য, অগ্নি প্রতিরোধ, ভবন নিরাপত্তা, নিয়মিত প্রশিক্ষণ, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রস্তুতিকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।'

তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনে বিশ্বের ১০টি দেশের প্রায় ১৫০টি শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডের নিরাপত্তা কোম্পানি, ৫০০ জনের বেশি নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ অংশ নিচ্ছেন।

প্রদর্শনীতে আগত দর্শনার্থীরা সর্বশেষ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন সরাসরি দেখার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও সেফটি খাতের পরিবর্তনশীল প্রবণতা সম্পর্কে জানতে পারবেন। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আরও নিরাপদ, সুরক্ষিত ও ঝুঁকিমুক্ত কর্মপরিবেশ এবং জীবনযাপন নিশ্চিত করতে পারে, সে সম্পর্কেও বাস্তবভিত্তিক ধারণা পাবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ