৯ জিলহজকে আরাফার দিবস বলা হয়। জিলহজ মাসের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ দিবস হলো আরাফার দিবস। হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আরাফার
পবিত্র হজ মহান আল্লাহর এক বড় হুকুম। এটি ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। যারা হজে যাওয়ার মতো আর্থিক ও শারিরীকভাবে সামর্থবান তাদের ওপর জীবনে একবার হজ করা ফরজ। পবিত্র
মুসলিম জাহানের শান্তির প্রয়োজনে, মুসলমানদের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের নিমিত্তে, ইসলাম ও মুসলিম জাতির মর্যাদা বৃদ্ধিকরণার্থে মুসলিম জাহানের ঐক্য পূর্বশর্ত। ইসলাম ও মুসলিম জাতির বৃহত্তর স্বার্থে বিশ্ব মুসলিমের ঐক্য অতীব জরুরি।
সময়ের পরিক্রমায় আমরা এখন জিলহজ মাসের সূচনায়। সারা বছরের অন্য দিনগুলোর তুলনায় এ মাসের প্রথম দশদিন আল্লাহ পাকের কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ ও মহিমান্বিত দিন হিসেবে বিবেচিত। রাসুল (সা.) জিলহজ মাসের
ইসলামের পাঁচটি রুকনের মধ্যে হজ একটি গুরুত্বপূর্ণ রুকন এবং একটি স্বতন্ত্র ইবাদত ও মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক বিশেষ পন্থা। নিঃসন্দেহে কাবা শরিফ হলো দ্বীন ইসলামের প্রধান নিদর্শনাবলির এক অন্যতম
মঙ্গলবার দেশের কোথাও জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে ঈদুল আজহা উদযাপন হবে আগামী ২৭ অক্টোবর। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের
আল্লাহর মেহমানদের ইহরাম বাঁধার পর থেকে কিছু কাজ থেকে বিরত থাকতে হয়। ইহরাম বাঁধা অবস্থায় এই কাজগুলি করা সম্পূর্ণ নিষিব্ধ। যদি কেউ অজ্ঞতা বা ভুলবশত এই কাজগুলো করে ফেলেন তাহলে
মানুষের আমলের ফলাফল প্রাপ্তি কবর থেকেই শুরু হবে। তাই মুমিন মুসলমানকে কবরের জীবন সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে এবং সে অনুযায়ী আমলি জিন্দেগি গড়ে তুলতে হবে। কবর হচ্ছে পরকালীন জীবনের প্রথম
হজ বিশ্ব মুসলিমের মিলন ও সৌহার্দ্যের এক অবিস্মরণীয় উৎসব। মহান আল্লাহর কাছে এ এক গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তিনি হজকে মানুষের ওপর নিজের অধিকার ও দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেছেন। আমাদের দেশ থেকে
মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি হচ্ছে নিজেকে তার প্রভুর কাছে সমর্পণ করা। আর সালাত হচ্ছে নিজেকে আল্লাহর কাছে শারীরিক ও মানসিকভাবে সপে দেওয়ার সবচেয়ে সুন্দর মাধ্যম। আল্লাহ তায়ালা মানবজাতি সৃষ্টি করেছেন শুধুমাত্র