
উপদেষ্টা এডভোকেট মোঃ মঈনুদ্দিন মিয়াজীর রাজনেতিক জীবনের সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ
নামঃ এডভোকেট মোঃ মঈনুদ্দিন মিয়াজী।(প্রাক্তন এমসিএ, এমপি)
পিতার নামঃ মৃত মুন্সি শহর আলী মিয়াজী।
ঠিকানাঃ চাচড়া রেলগেট, কোতয়ালী, যশোর।
জাতীয় পরিষদ সদস্যঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
চেয়ারম্যানঃ বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড, শিল্প মন্ত্রনালয়, ঢাকা।
সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানঃ বাংলাদেশ যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধা পরিবার বহুমুখী কল্যান সমিতি
তিনি ১৯৫২ সালের বাংলা ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন ও আন্দোলনে সক্রিয় অংশ গ্রহন করেন। তিনি পরর্বতীতে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে অধ্যায়নকালে ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহনের মাধ্যমে কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচন সমাজ কল্যান সম্পাদক ও তৎকালীন ছাত্র ইউনিয়ন পাবনা জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি সাবেক মন্ত্রী শহীদ ক্যাপ্টেন মুনছুর আলীর অধীনে জুনিয়র আইনজীবি হিসাবে আইন পেশায় নিয়োজিত হন। পরর্বতীতে তিনি পাবনা মহকুমা আওয়ামী লীগের কাযনির্বাহী কমিটির সদস্য পদ প্রাপ্ত হন।এ পদে থাকাকালীন ১৯৬২ সাল পর্যন্ত ছাত্র আন্দোলন ও ৬ দফা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহন করেন।
পরর্বতীতে ১৯৬৩ সালে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহযোগী সাবেক মন্ত্রী শহীদ মশিউর রহমান এডভোকেট এর নেতৃত্বে যশোরে কর্ ও রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন।
১) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঝিনাইদহ জেলা কমিটির সদস্য্।
২) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যশোর জেলা কমিটির সদস্য্।
৩) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মহেশপুর থানা কমিটির সভাপতি।
৪) ১৯৭০ সালে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য হিসাবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।
৫) পরর্বতীতে ১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য্ হিসেবে নির্বাচিত হন।
৬) ১৯৮৬ সালের প্রহসনের নির্বাচনে দলীয় প্রাথী হিসাবে নির্বাচন করে সংগত কারনে ভোট জালিয়াতীর জন্য পরাজিত হন।
৭) আইন ব্যবসার পাশাপাশি আজীবন দলীয় আদর্শ সমুন্নত রেখে এ পর্যন্ত সত্রিয় রাজনীতিতে অংশগ্রহল করেন।
রাজনৈতিক হয়রানি এবং নির্যাতন :
ক) তিনি ৬ দফা আন্দোলনে সত্রিয় অংশগ্রহনের কারনে একাধিক ফৌজদারী মামলার আসামী হন।তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের সাথে রাজনৈতিক মামলার আসামী ছিলেন।
খ) ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ভোরে পাক হানাদার বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার এবং অমানবিক নির্যাতনের স্বীকার হন।দৈহিক নির্যাতনের কারনে দেহে অসংখ্য ক্ষতচিহ্ন এবং বুকের ভাংগা পাজর এখনও বহন করছেন।তাহার বাড়ীঘর লুটপাট এবং গ্রামের বাড়ী জ্বালিয়ে দেয়া হয়। তাহার স্ত্রী নিরাপত্তা ও চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু বরন করেন
গ) ১৯৭৫ সালের ০৪ ফেব্রুয়ারী রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ/সন্ত্রাসীদের গুলি খেয়ে প্রাণে বেঁচে গেলেও ক্ষতচিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছেন।
ঘ) ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট এর বর্বরচিত হত্যাকান্ড এবং সরকার পতনের পর দীর্ঘদিন গৃহবন্দী থাকেন।
তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য।