1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার সৌদি আরবে প্রবাসীদের সাদা কাগজে স্বাক্ষর কিংবা টিপসই দেওয়া থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছে দূতাবাস দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা জারি, বন্ধ স্কুল-বিমানবন্দর ও রেল চলাচল বিমানবন্দরে ইরানি অধিনায়ককে আটকে দিল যুক্তরাষ্ট্র টানা ৩ ম্যাচে গোল ভিনির, ইতিহাস বলছে বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিল জাপানে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প মুদি দোকানসহ ১৭ ব্যবসা খাত আসছে ভ্যাটের আওতায় ভিনির নৈপুণ্যে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ব্রাজিল মেসি-এমবাপ্পের রাজকীয় দ্বৈরথ, জমে উঠছে বিশ্বকাপ

আগামীকাল ভয়াল ১২ নভেম্বর

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৬৪ Time View

আগামীকাল ভয়াল ১২ নভেম্বর। ১৯৭০ সালের এ দিনে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ভোলাসহ উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চলে। লাখ লাখ মানুষ সেদিন প্রাণ হারায়। সেই ভয়াবহ স্মৃতি নিয়ে আজো বেঁচে রয়েছেন অনেকে। স্বজন হারানো সেই বিভীষিকাময় দিনটি মনে পড়তেই আতঙ্কে উঠছেন তারা।
উপমহাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর মধ্যে ৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। ধারণা করা হয়, প্রলয়ংকরী ওই দুর্যোগে প্রায় ১০ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। এর মধ্যে ভোলা জেলায় লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। উত্তাল মেঘনা নদী আর তার শাখা-প্রশাখাগুলো রূপান্তরিত হয়েছিল লাশের নদীতে। সে এক ভয়াবহ দৃশ্য।
১৯৭০ সালের ১১ নভেম্বর বুধবার সকাল থেকেই গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হতে থাকে। পরদিন ১২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার আবহাওয়া আরো খারাপ হয় এবং মধ্যরাত থেকেই ফুঁসে উঠে সমুদ্র। তীব্র বেগে লোকালয়ের দিকে ধেয়ে আসে পাহাড় সমান উচু ঢেউ। ৩০/৪০ ফুট উচু সেই ঢেউ আছড়ে পড়ে লোকালয়ের ওপর। আর মুহূর্তেই ভাসিয়ে নেয় মানুষ, গবাদিপশু, বাড়ি-ঘর ও ক্ষেতের সোনালী ফসল। পথে-প্রান্তরে উন্মুক্ত আকাশের নীচে পড়েছিলো লাশ আর লাশ।
স্থানীয় প্রবীণ সংবাদিক ও প্রেসক্লাবের সভাপতি এম হাবিবুর রহমান স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বাসস’কে বলেন, বন্যার পরে দেখেছি সাপ আর মানুষ দৌলতখানের চৌকিঘাটে জড়িয়ে পড়ে আছে। ¯েœহময়ী মা তার শিশুকে কোলে জড়িয়ে পড়ে আছে মেঘনার পাড়ে। সোনাপুরের একটি বাগানে গাছের ডালে এক মহিলার লাশ ঝুলছে। এমনিভাবে মনপুরা, চরফ্যাশন, লালমোহন, তজুমুদ্দিন ও দৌলতখানসহ সমগ্র জেলায় মানুষ আর গবাদিপশু সেদিন বঙ্গোপসাগরের উত্তাল জলে ভেসে যায়। প্রলংকরী সেই ঝড়ে জনমানব শূন্য হয়ে পড়েছিলো দ্বীপজেলা ভোলা।
তৎকালীন ছাত্র ইউনিয়ন নেতা ও সংবাদকর্মী এম এ তাহের বলেন, ভয়াল সে রাত কেটে গেলে পরদিন শুক্রবার শহরময় ধ্বংসস্তূ‘প দেখা যায়। বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল শুধু লাশ আর লাশ। পানি ভেঙ্গে তিনিসহ বর্তমান বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোশারেফ হোসেন শাহাজানসহ আরো অনেকে বেড়িয়ে পড়েন ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায়। সেদিন সবাই মিলে প্রায় সাড়ে ৩শ’ লাশ দাফন করা হয়।
তিনি আরো বলেন, পরদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ করে ত্রাণ নিয়ে আসেন ভোলায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ মনপুরায় এসে সকলের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।
স্বজন হারানো পরিবারের একজন ভোলা প্রেসক্লাবের সদস্য জহিরুল ইসলাম মঞ্জু কান্না জড়িত কণ্ঠে জানান, আমার মাসহ পরিবারের লোকজনকে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল সেদিনের জলোচ্ছ্বাস। প্রতিবছর এ দিনটি এলেই আমাদের কষ্ট বেড়ে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ