1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী এবারের ঈদযাত্রায় ইতিহাসের জঘন্যতম অব্যবস্থাপনা: জামায়াত আমির মধ্যপ্রাচ্যে থাকা প্রবাসীদের নিরাপত্তায় কাজ করছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত প্রস্তুত ৬ দেশ ফিলিস্তিন চেয়েছিল নিষেধাজ্ঞা, ইসরায়েলকে জরিমানা করেই ছেড়ে দিল ফিফা ইসরায়েলের মন্ত্রণালয়ে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের ঈদের দিন দেশজুড়ে কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস ‘ইরানি হামলায়’ মার্কিন যুদ্ধবিমানের জরুরি অবতরণ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী

‘ধর্মনিরপেক্ষতা মানে সব মানুষের সমান অধিকার’

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৫
  • ১৫৫ Time View

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। এর মানে দেশের 3সব মানুষের সমান অধিকার। এর মাধ্যমে সবাই যার যার ধর্ম সুষ্ঠুভাবে পালন করবেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মাটিতে জন্ম নেয়া প্রত্যেক নাগরিক সমান অধিকার নিয়ে বাস করবে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় মন্দির ঢাকেশ্বরীতে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতারা। পরে পূজামন্ডপ পরিদর্শন শেষে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় কালে তিনি একথা বলেন।
বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশনে আসেন প্রধানমন্ত্রী । এ সময় তাতে শঙ্খ বাজিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী ধ্রুবেশা নন্দ মহারাজ এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে ক্রেস্ট দিয়ে অভ্যর্থনা জানান মিশন পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বিচারপতি (অব.) গৌড় গোপাল সাহা, প্রবীর সাহা, মিশনের শিক্ষক জয় প্রকাশ প্রমুখ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সকল সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করা তার সরকারের লক্ষ্য। তিনি বলেন, সব ধর্মেই মানবতা ও শান্তির কথা বলা আছে। আমরা সবসময় চাই বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে। জাতির পিতা চেয়েছিলেন দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশ হবে, ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত দেশ হিসেবেই গড়ে তুলতে চাই। হানাহানি, মারামারি, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ আমরা চাই না। আমরা চাই প্রতিটি মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালের ঘটনাটি ছিল কোনো ব্যক্তি বা পরিবারকে শেষ করে দেয়ার নয়। এই হত্যাকান্ড ঘটে বাঙালির আদর্শকে নিমূল করতে। তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা তুলে দেয়। আমরা ক্ষমতায় এসে তা ফের অন্তর্ভুক্ত করি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরই দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান, মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমাদের সব কার্যক্রম জঙ্গিবাদ ও দারিদ্রের বিরুদ্ধে। আমরা বাংলাদেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ করে যাচ্ছি। আজ বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিণত। আমারা জাতিকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তোলায় কাজ করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ