1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিমান বাহিনীর ৭৬তম ফ্লাইট সেফটি অফিসার্স কোর্সের সনদ বিতরণ একনেকে ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন নিয়োগপত্রের দাবিতে জামালপুরে ৫১ প্রার্থীর অনশন নেতা-কর্মীর গায়ে হাত উঠলে থানার ইট খুলে নেওয়ার হুমকি নারায়ণগঞ্জের এনসিপি নেতার চার জেলায় নতুন ডিসি, সাত মাসে বদল ৩৪ জেলায় মিরপুরের ক্রিকেট মঞ্চে কচুয়ার সন্তান ইরফান আহমেদ তুষার যুক্তরাষ্ট্রে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইস্পাত কারখানা’ গড়বে ভারতের এসার গ্রুপ দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.১৪ বিলিয়ন ডলার ভিসা পোর্টাল অচল, ভোগান্তিতে বাংলাদেশে ভিসা আবেদনকারীরা বাংলাদেশ বিমানে তানভীর মোকাম্মেলের ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ প্রদর্শন বন্ধ

বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৫
  • ২৬৪ Time View

তার বিরুদ্ধে আর্থিক এবং প্রশাসনিক অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক তাকে শো কজ করেছে। তার বিরুদ্ধে গঠিত কমিটির রিপোর্টেও তিনি অভিযুক্ত। আর এর পরেই qafasfবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠালেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য সুশান্ত দত্তগুপ্ত। এ দিন তিনি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়কে ই মেল মারফত পদত্যাগপত্রটি পাঠিয়েছেন। তবে এখনও সেটি গ্রহণ করা হয়নি। মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক তাঁর কাছ থেকে পদত্যাগপত্রের হার্ড কপি চেয়ে পাঠাতে পারে বলে খবর। চাপের মুখে কোনও কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদত্যাগ করেছেন, এমন নজির অবশ্য নেই। মন্ত্রক যদি তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে তা হলে প্রথম বার এমনটি হবে।
এ দিন অবশ্য সাংবাদিকদের সে ভাবে কিছু খুলে জানাতে চাননি সুশান্তবাবু। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো তার ইস্তফাপত্র গৃহীত হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন।
কেন তার এই সিদ্ধান্ত? উপাচার্য বলেন, ‘বরাবরই মনে করি যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করি সেখানে সম্পূর্ণ কাজ করা উচিত। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ বছর হয়ে গিয়েছে। আমার আর এক বছর মেয়াদ রয়েছে। এমনটা চলতে থাকলে আমার পক্ষে কাজ করা অসম্ভব।’ তবে কি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের বাধাতেই তার কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না? এর উত্তরে তিনি বলেন, ‘সেটা স্পষ্ট।’
গত বছর সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে কংগ্রেসের তরফে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়। অভিযোগ, তিনি বিশ্বভারতীর উপাচার্য পদে নিযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেনশন নিচ্ছিলেন। যা বেআইনি। এমনকী প্রভাব খাটিয়ে বিশ্বভারতীর কয়েকটি পদে তিনি নিয়োগ করেছিলেন বলেও অভিযোগ ওঠে। রাজ্য সভার অধিবেশনে কংগ্রেস সরব হওয়ার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক। বিষয়টি নিয়ে তার জবাবও চায় মন্ত্রক। উপাচার্যের জবাবে সন্তুষ্ট হয়নি সেই কমিটি। এর পরেই গত সপ্তাহে তাকে অভিযুক্ত করে কমিটি রাষ্ট্রপতির কাছে একটি রিপোর্ট পাঠায়। সরকারি ভাবে এখনও সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি মন্ত্রক। তার আগেই তড়িঘড়ি উপাচার্যের এই  সিদ্ধান্ত।
সুত্র: আনন্দবাজার

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ