1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘শীর্ষ সন্ত্রাসী তেমন নেই, সহযোগীরা শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজতে চাইছে’ পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা ইরানের পর আরো একটি দেশ দখলের ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের শপথ কাল ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যপ্রাচ্যের ১৬ মার্কিন ঘাঁটি পতিত আওয়ামী লীগের মতো বিএনপি কোনো কাজ করবে না : নজরুল ইসলাম যেদিকে তাকাই সেদিকেই অনিয়ম-দুর্নীতি : মির্জা ফখরুল জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী আলোচিত বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেখার ভার সুপ্রিম জুডিশিয়ারি কাউন্সিলের : আইনমন্ত্রী ‘যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে’ ইরান যুদ্ধ শেষ হয়েছে: ট্রাম্প

শনিবার ভারতের একটি গ্রাম থাকবে আমিরাতের সমর্থনে!

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫
  • ১১৪ Time View

shopnilএ কেমন গ্রাম! সারা ভারত যখন একদিকে, তখন ভাসাইয়ের ‘দারপালে’ গ্রামের বাসিন্দারা বিপরীত দিকে৷

কেন?

আগামী শনিবার ভারত বনাম সংযুক্ত আরব আমিরাতের খেলা বিশ্বকাপে৷ পুরো দেশ চাইবে, ধোনিরা দাপট বজায় রেখে বিরাট ব্যবধানে জিতুক৷ কিন্তু, ‘দারপালে’ গাঁ-ও চাইছে, জিতুক সংযুক্ত আরব আমিরাত! কেন? আর আমিরাতের দলেই যে রয়েছে এ গ্রামের ছেলে! স্বপ্নিল পাতিল৷ সংযুক্ত আরব আমিরশাহি দলের উইকেটরক্ষক৷

স্বপ্নিলের বাবা প্রকাশ জানিয়েছেন, ‘ছেলের জন্য গোটা গ্রাম গর্বিত৷ বিশ্বকাপ শুরুর পর থেকে সবাই চাইছিল, ভারত জিতুক৷ কিন্তু, শনিবারের ম্যাচটা আলাদা৷ সেদিন প্রত্যেকে সমর্থন করবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে৷ স্বপ্নিলের জন্যই৷ মুহূর্তটা আমাদের কাছে স্বপ্নের৷ কারণ, ছেলে বিশ্বকাপে খেলছে৷’

স্বপ্নিলের বাড়িতে বড়পর্দায় খেলা দেখার ব্যবস্হা করা হয়েছে, যাতে গ্রামবাসীরা একসঙ্গে খেলা দেখতে পারেন৷ গতবার টি ২০ বিশ্বকাপে স্বপ্নিল যখন খেলেছিলেন, তখন বড়পর্দা বসানো হয়েছিল গ্রামের একটি মাঠে৷ এবার জায়গা বদলের কারণ?

প্রকাশ জানিয়েছেন, ‘এবার ভোরে খেলা৷ তাই বাড়ির ভেতরেই খেলা দেখার বন্দোবস্ত করা হয়েছে৷’ গ্রামবাসীরা শনিবারের ম্যাচে স্বপ্নিলের সেঞ্চুরি দেখতে চান৷ এক গ্রামবাসী প্রীতম চৌধুরী বলেছেন, ‘ও যদি সেঞ্চুরি করতে পারে, তা-ও ভারতের বিরুদ্ধে, তা হলে সেটা আমাদের কাছে হবে বিরাট পাওয়া৷’

আরেক প্রতিবেশী নিবেদিতা পাতিল বলেছেন, ‘স্বপ্নিলের জন্য সব সময় প্রার্থনা করি৷ তবে এবার আরও বেশি করে করব৷ কারণ, লড়বে যে ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে৷ চাইব, ও শেষ পর্যম্ত ব্যাট করুক৷ যাতে আমরা পুরো সময়টা আগ্রহ নিয়ে খেলা দেখতে পারি৷’

আগামী ১৫ এপ্রিল ৩০ হবে স্বপ্নিলের৷ ২০০৬ সালে আরব আমিরাতে পাড়ি দেন তিনি৷ স্বপ্নিলের বাবা জানিয়েছেন, ‘ক্রিকেট নিয়ে ছেলে চিরকালই পাগল ছিল৷ মুম্বাইয়ের অনূর্ধ্ব ১৯ এবং অনূর্ধ্ব ২২ দলের হয়ে খেলেছে৷ ২০০৪-০৫ সালে রনজির সম্ভাব্য দলেও ছিল৷ কিন্তু, শেষ পর্যন্ত জায়গা হয়নি৷’ ২০০৬ সালে যোগী গ্রুপ ক্রিকেট ক্লাবে খেলার প্রস্তাব পান স্বপ্নিল৷ মুম্বাই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের ভি ডি ও দেখেই স্বপ্নিলকে পছন্দ হয়েছিল৷ চার বছর ক্লাব ক্রিকেট খেলার পর, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দলে ডাক পান স্বপ্নিল৷ মাস দুই আগেই বিয়ে করেছেন৷ মুম্বাইয়ের প্রাক্তন সতীর্থ রাহানের বিরুদ্ধে খেলার জন্য মুখিয়ে এখন৷ ছেলের হয়ে বাবা বলেছেন, ‘স্বপ্নিল অপেক্ষায় আছে রাহানে, রোহিতদের বিরুদ্ধে খেলার জন্য৷ আমার ছেলে ওখানে দারুণ খুশি৷’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ