1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পুলিশের ২১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি অস্থায়ী অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের নির্দেশ আসামে ভয়াবহ বন্যা, ক্ষতিগ্রস্ত ২২ হাজারেরও বেশি মানুষ তিস্তাসহ চার নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ কার? সুপারকম্পিউটারের চাঞ্চল্যকর হিসাব-নিকাশ আফগান সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর দুর্ধর্ষ অভিযান, নিহত ২৯ হালান্ডকে আটকে নকআউটে চমক দিতে চায় আইভরি কোস্ট প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের ব্যর্থতার দায় নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কোচের পদত্যাগ

মালালার আত্মজীবনী ‘আই অ্যাম মালালা’ প্রকাশ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১৫০ Time View

malala-autobiographyতালিবানদের হামলার পর পাকিস্তানি কিশোরী মালালা ইউসুফজাইয়ের জীবন কেমন ছিল, সে বিষয়ে বিশ্ববাসীর আগ্রহের অবসান ঘটাতেই মঙ্গলবার লন্ডন থেকে প্রকাশিত হল মালালা ইসুফজাইয়ের আত্মজীবনী ‘আই অ্যাম মালালা : দ্য গার্ল হু স্টুড আপ ফর এডুকেশন অ্যান্ড ওয়াজ শট বাই দ্য তালেবান’। মালালার আত্মজীবনীটির সহ-লেখক ব্রিটিশ সাংবাদিক ক্রিস্টিনা ল্যাম্ব।

বইয়ের প্রতিটি পাতায় উঠে এসেছে মালালার দু:সহ দিনগুলির কথা। মালালা লিখেছে, আমার কন্ধুরা আমাকে জানিয়েছিল য়ে তালিবানরা পরপর তিনবার আমাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তার লম্বা চুলও রক্তে ভেসে গিয়েছিল বলে জানিয়েছে মালালার লেখনী। মালালার মনের জোর বারবার ফুটে উঠেছে কলমে। সে লিখেছে, সবারই একদিন মৃত্যু হবে। তাই , মৃত্যুর ভয়ে থেমে না গিয়ে নিজের কাজ চালিয়ে যাওয়াই উচিত। মৃত্যুর সঙ্গে রীতিমতো যুদ্ধ করে সৃস্থ হয়ে ওঠে মালালা। মনের জোরকে সম্বল করেই ফের ময়দানে নেমে পড়েছে সে। চালিয়ে যাচ্ছে তার কাজ। লন্ডনের হাসপাতালে চিকিৎসার কথাও উঠে এসেছে তার আত্মজীবনীতে।

মালালা বলছে, রাতে সবাই না ঘুমুনো পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করতাম। পরে প্রতিটি দরজা ও জানালা পরীক্ষা করে ঘুমুতে যেতাম। তবে হুমকিতে আমি ভয় পাইনি। কারণ আমার মনে হতো, একদিনতো সবাইকেই মরতে হবে। ‘আমি যা করতে চাই তাই করা উচিত’ বলে আমার মনে হয়েছে।
২০১২ সালের ৯ অক্টোবর, এই দিনেই মালালার স্কুলবাসে উঠে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে ছিল তালিবানরা। মেয়েদের শিক্ষার অধিকারের জন্য লড়াই করাই ছিল তার অপরাধ। যদিও তালিবানদের দাবি, ইসলাম সম্প্রদায়কে ছোট করে দেখানোর জন্যই মালালাকে গুলির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। শিক্ষা বিস্তারের জন্য নয়। ফের সুযোগ পেলে মালালাকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দিয়েছে তালিবানরা।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ