সিলেট টেস্টে দ্বিতীয় দিন শেষে ২৬৮ রানে পিছিয়ে ব্যকফুটে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে করা ৩৫৬ রানের জবাবে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ৪০ ওভার ব্যাট করে ৮৮ রান করতে হারিয়েছে তিন উইকেট। ব্যাটিংয়ে হাল ধরতে পারেননি অধিনায়ক নাজমুল শান্ত। তবে ইনিংস লম্বা করার চেষ্টায় অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম।
সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় দিনের শুরুটা ছিল স্কোর বোর্ডে ২৩৫ রান আর হাতে ৬ উইকেট নিয়ে। তবে সকালের শুরুটায় বোর্ডে ২৯ রান যোগ করতেই সেঞ্চুরি করা আমির জঙ্গুকে ফিরয়ে টাইগার শিবিরে স্বস্তি এনে দেনে হাসান মাহমুদ।
এর পরের বলেই অধিনায়ক রস্টন চেইজকে ফিরিয়ে ক্যারিবীয়দের বড় সংগ্রহের স্বপ্নে ধাক্কা দেন হাসান। এর পর অবশ্য ৩৩ রানের জুটিতে আবার খেলায় ফেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে লিটন দাস এর এক দ্রুত গতির স্ট্যাম্পিংয়ে বিশপকে ফেরান হাসান। তাতেই তার নামের পাশে যুক্ত হয় টেস্ট ক্যারিয়ারের পঞ্চম ফাইফার।
আর জাস্টিন গ্রিভসকে ফেরাতে মিরাজ করেন অসাধারণ এক ডেলিভারি। সরাসরি বোল্ড হওয়ার আগে গ্রিভস করেন তার টেস্ট ক্রিকেটে তৃতীয় ফিফটি। এরপর টেইলএন্ডার সামার জোসেফকে বোল্ড করে ফেরত পাঠান সেই হাসান মাহমুদ। শেষ উইকেট ৩৩ রানের জুটিতে ক্যারিবীয়রা থামে ৩৫৬ রানে।
দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশের শুরুর পর ব্যাটিং সহায়ক উইকেট যেন মূহুর্তেই বদলে যায় বোলিং উইকেটে। সাদমান না থাকায় ওপেনিংয়ে নামা নাইম- তামিম জুটিতে আসে ১৩ রান। মাত্র পাঁচ রান করে ফিরেন নাইম।
তানজিদের ইনিংস ছিল ১৬ রানের। উইকহ্যামের হাতে ক্যাচ বানিয়ে তামিমকে ফেরান জাস্ট্রিন গ্রিভস। আর অধিনায়ক শান্ত টিকতে পেরেছেন ৬৫ বল , তবে তার ব্যাটে আসে মাত্র ১৮ রান। সরাসরি বোল্ড হোন সামার জোসেফের ইনসুইং বলে।
এরপর শেষ বিকেলে আর কোন বিপদে আসতে দে নি মুশফিক-হৃদয়রা। জুটি গড়েন ৩৭ রানের। তৃতীয় দিনে এই জুটির উপর অনেকটা নির্ভর করবে টাইগারদের দ্বিতীয় টেস্টের ভাগ্য।