1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কেন হামের টিকা আমদানি হয়নি, জানা জরুরি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী শুধু খেলা নয়, শিল্প-সংস্কৃতিতেও দক্ষ হতে হবে: শিশু-কিশোরদের প্রধানমন্ত্রী গাজার অঙ্গ হারানো ১১৩৪ শিশুকে বিদেশে যেতে দিচ্ছে না ইসরায়েল আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন রোনালদো আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউতে রপ্তানি পোশাকের দাম কমেছে দারুণ শুরুর পর হতাশায় প্রথম দিন শেষ বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় চেয়ারম্যান নিয়োগ, হাইকোর্টের রুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সৈয়দ ইমতিয়াজ আহমেদ স্মারক বৃত্তি পেলেন ১২ শিক্ষার্থী ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন, ১৯ নভেম্বর চালু

তহবিল সংকটে টিসিবি

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৫০ Time View

ভর্তুকি দরে পণ্য বিক্রি করে তহবিল সংকটে পড়েছে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। সরকারের কাছে ভর্তুকি বাবদ আটকে গেছে ১,২১৮ কোটি টাকা। টাকা ছাড় করতে আবেদন করলেও ইতিবাচক সাড়া মিলছে না।

অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, পণ্য আমদানিতে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে করা এলসির বিপরীতে নেওয়া ঋণ সময়মতো পরিষদ ব্যাহত হচ্ছে। এতে ব্যাংকগুলোর সুদের অঙ্ক ক্রমেই বাড়ছে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী প্রতিদিন ব্যাংকগুলোর মোট পাওনার সঙ্গে ৪০ লাখ টাকা হারে সুদ যুক্ত হচ্ছে। ফলে দায় বাড়ছে সরকারের। টিসিবি বলছে, অর্থের অভাবে কম দামে পণ্য বিক্রির কার্যক্রমও চাপের মুখে পড়ছে। নতুন করে পণ্য সরবরাহে সংকট তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

টিসিবির হিসাবে, অতীতের ধারাবাহিকতায় বর্তমানেও স্মার্ট কার্ডধারী ১ কোটি পরিবারের কাছে নিয়মিত ভর্তুকি মূল্যে পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়া যাতে কোনোভাবে বিঘ্নিত না হয় সে জন্য ভর্তুকির অর্থ দ্রুত ছাড়ে জরুরি উদ্যোগ নিতে টিসিবির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে। বিষয়টি অধিকতর গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠানোর কথা জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

জানা গেছে, টিসিবি বর্তমানে প্রতি মাসে ভর্তুকি মূল্যে ভোজ্যতেল, মসুর ডাল ও চিনি বিক্রি করছে। বাজারদরের তুলনায় কম দামে এসব পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কিছুটা কমিয়ে রাখাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সময়মতো ভর্তুকির অর্থ ছাড় না হলে টিসিবির নিয়মিত পণ্য সরবরাহ ও বিক্রয় কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এতে উপকারভোগী নিম্ন আয়ের কোটি পরিবার ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

অন্যদিকে, ভর্তুকির পরিমাণ ক্রমাগত বাড়তে থাকায় কর্মসূচিটির দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বাজারদরের চেয়ে কম দামে পণ্য সরবরাহ অব্যাহত রাখতে হলে সরকারের নিয়মিত ও পর্যাপ্ত অর্থায়ন নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

প্রতিদিন বাড়ছে ৪০ লাখ টাকার সুদের বোঝা

জানা গেছে, ভর্তুকির অর্থ প্রাপ্তিতে বিলম্ব হওয়ার কারণে টিসিবির বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ওপর দায়ের চাপ জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। বর্তমানে এই বিশাল অঙ্কের বকেয়ার বিপরীতে দৈনিক ব্যাংক সুদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪০ লাখ ৫১ হাজার ২৩০ টাকা। টিসিবি জানিয়েছে, যথাসময়ে ভর্তুকির অর্থ ছাড় না করা হলে এই সুদের পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পাবে, যা শেষ পর্যন্ত সরকারের ওপরই অতিরিক্ত আর্থিক দায় হিসেবে চেপে বসবে।

পণ্য ক্রয়ে ব্যাংকগুলোর অনীহা ও সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা

জানা গেছে, সময়মতো অর্থ না হওয়ায় ব্যাংক থেকে নেওয়া এলটিআরগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে পড়ছে। ফলে ব্যাংকগুলো টিসিবির আমদানি করা পণ্যের বা স্থানীয়ভাবে কেনা পণ্যের বিল পরিশোধের জন্য নতুন করে ট্রাস্ট রিসিট বা ঋণ দিচ্ছে না। ফলে নতুন করে চাল, ডাল, তেল বা চিনি ক্রয়ের জন্য এলসি খোলা যাচ্ছে না। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দেওয়া টিসিবির চিঠিতে এসব তথ্য জানিয়ে সংস্থাটির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

টিসিবির মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন আমার দেশকে বলেন, টিসিবির নিজস্ব কোনো তহবিল নেই। সরকারিভাবে ভর্তুকি দিয়ে কম দামে পণ্য বিক্রি করা হয়। এ ভর্তুকির অর্থ সরকারই পরিশোধ করে থাকে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসের লোকসানের বিপরীতে ভর্তুকির অর্থ চেয়ে সরকারের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট-১-এর যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ ফারুক-উজ-জামান আমার দেশকে বলেন, টিসিবিকে সরকার ভর্তুকি দিয়ে থাকে। সংস্থাটির ভর্তুকির অর্থ ছাড়ের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ