1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে’ ইরান যুদ্ধ শেষ হয়েছে: ট্রাম্প রূপপুরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে রুশ প্রকৌশলীর মৃত্যু নোয়াখালীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, গাজীপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৪৯৮ প্রস্তাব ডিসিদের ভারত থেকে গরু আমদানির ভাইরাল অনুমতিপত্রটি ভুয়া: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আজ দেশের বাজারে কত দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ সিলেটে ৪৬৩৫ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ট্রাম্পের অবরোধের মুখে থাকা ইরানের জন্য বাণিজ্য পথ খুলল পাকিস্তান সিলেট নগর সুরক্ষা বাঁধ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী রিয়াল মাদ্রিদে ফেরার গুঞ্জন, মুখ খুললেন মরিনহো সাত বছর পর পুলিশের পোশাকে নেটফ্লিক্সে ফিরছেন সাইফ

‘সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িতদের বিচার করা হবে’

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১২
  • ১৪২ Time View

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মহিউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, তথাকথিত ক্যু’র মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকারের পতন ঘটানো যাবে না। যারা এই ক্যু’র সঙ্গে জড়িত তাদেরকেও যুদ্ধাপরাধীদের মতো বিচারের আওতায় আনা হবে।

সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্বাধীনতা পরিষদ ও বিশ্ব বাঙালি সম্মেলনের উদ্যোগে ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত করো’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। বিশ্ব বাঙালি সম্মেলনের সভাপতি অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ করিম।

মহিউদ্দীন খান আলমগীর বলেন, যাদের জন্ম সেনা ছাউনিতে, তারাই শুধু ক্যু’র মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই বিচার আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্ন। এই বিচার করে আমরা দেখিয়ে দিতে চাই, অপরাধীদের এই বাংলার মাটিতে ঠাই নাই। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়ায় যারা বাধা দিচ্ছে, তারাও একই অপরাধে অপরাধী। তাদের বিচারও বাংলার মাটিতেই হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, দেশের সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার রাতারাতি সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। একটি ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে। শীঘ্রই আরেকটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। ২০১২ সালের মধ্যেই শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করা হবে।

তিনি বলেন, বিশ্বের কোথাও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে গঠিত ট্রাইব্যুনালের বিরুদ্ধে কেউ দাঁড়ায় নাই। বাংলাদেশে একটি পক্ষ দাঁড়িয়েছে। এটি পুরো জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক। আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করে বাংলার মাটি থেকে ‘স্বাধীনতা বিরোধী’ শব্দটি দূর করতে চাই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ