1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
চীনে আন্তর্জাতিক ইউরোলজি সম্মেলনে বাংলাদেশ | খবর শিক্ষা, ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন ছাড়া প্রকৃত গণতন্ত্র অসম্ভব : রুহুল কবির রিজভী | আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সরকারের : মাহ্দী আমিন | শিরোনাম রাতে ঢাকার আবহাওয়া যেমন থাকবে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিদেশি ঋণে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন লাগবে না বরিশালে হত্যা মামলায় এলজিইডির সাবেক প্রকৌশলীর যাবজ্জীবন | আইন ও আদালত কেবল প্রেমনির্ভর নাটক-সিনেমা নির্মাণ বন্ধে হাই কোর্টে রিট আবেদন সেলফি পরিবহনের রুট পারমিট বাতিলের দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বিক্ষোভ শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে : প্রধানমন্ত্রী দক্ষ ও ভবিষ্যৎ উপযোগী জনশক্তি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

পদ্মা তদন্ত: মতৈক্য হয়নি বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১২
  • ২২০ Time View

‘পদ্মা দুর্নীতির’ তদন্ত পর্যবেক্ষণে আসা বিশ্ব ব্যাংকের পর্যবেক্ষক দল কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই ফিরে গেছেন বলে স্বীকার করলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

“তবে আলোচনা এখনো চলছে, তাই এখন এই বিষয়ে কিছু বলতে চাচ্ছি না,” বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বলেন তিনি।

দুর্নীতি দমন কমিমনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনার পর লুই গাব্রিয়েল মোরেনো ওকাম্পো নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিশ্ব ব্যাংক প্যানেল বুধবার ফিরে যায়।

ফেরার আগে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেন বিশ্ব ব্যাংক পর্যবেক্ষকরা। তবে এই বিষয়ে কোনো কথা বলেননি তিনি।

পদ্মার সেতুতে ‘দুর্নীতি’ অনুসন্ধানে দুদক গঠিত প্যানেল গত মঙ্গলবার প্রতিবেদন দিয়েছে। দুদক বলেছে, এই প্রকল্পে কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য অর্থ লেনদেনের ‘ষড়যন্ত্র’ হয়েছিল।

দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান মঙ্গলবার বলেছিলেন, দুর্নীতির ‘ষড়যন্ত্র’ যে হয়েছিল, সে বিষয়ে বিশ্ব ব্যাংক ও দুদক একমত। তবে কার কার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হবে- সেই বিষয়ে মতৈক্য এখনো হয়নি।

কী বিষয়ে মতানৈক্য সে বিষয়ে মুহিত কিছু বলতে চাননি।

কানাডীয় কোম্পানি এসএনসি লাভালিনের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ ওঠার পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে ২৯১ কোটি ডলারের পদ্মা সেতু প্রকল্পে ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি স্থগিত করেছিল বিশ্ব ব্যাংক।

সরকার ও তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেনের পক্ষ থেকে দুর্নীতির অভিযোগ নাকচ করা হলেও অনড় থাকে বিশ্ব ব্যাংক এবং তার ধারাবাহিকতায় গত জুন মাসে ঋণচুক্তি বাতিল করে।

এরপর আবুল হোসেনের পদত্যাগ, প্রকল্পের ইন্টেগ্রিটি অ্যাডভাইজর মসিউর রহমান ও সেতু বিভাগের তৎকালীন সচিব মোশাররফ হোসেন ভূইয়াকে ছুটিতে পাঠানোসহ সরকারের নানামুখী তৎপরতায় বিশ্ব ব্যাংক সিদ্ধান্ত বদলায়।

তবে দুর্নীতির তদন্ত পর্যবেক্ষণে ওকাম্পোর নেতৃত্বে পর্যবেক্ষক দল গঠন করা হয়, তাদের প্রতিবেদনের ওপরই নির্ভর করছে বহু প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু নির্মাণে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ