1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে সিদ্ধান্ত বদলালেন ট্রাম্প

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৫২ Time View

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি থেকে সরে এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড নিয়ে একটি সম্ভাব্য সমঝোতার কাঠামো তৈরি হয়েছে। এজন্য আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকা শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন। কয়েক সপ্তাহ ধরে গ্রিনল্যান্ড দখল ও ইউরোপীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে ন্যাটো জোটে অস্বস্তি সৃষ্টি করেছিলেন তিনি। খবর রয়টার্সের।

ট্রাম্প বলেন, পশ্চিমা আর্কটিক অঞ্চলের মিত্ররা গ্রিনল্যান্ড নিয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা স্বার্থ, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি আর্কটিকে রাশিয়া ও চীনের প্রভাব ঠেকাবে।

তিনি বলেন, এটি এমন একটি চুক্তি, যাতে সবাই খুশি। এটি দীর্ঘমেয়াদি, বরং বলা যায় চিরস্থায়ী চুক্তি। নিরাপত্তা ও খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে এটি সবাইকে ভালো অবস্থানে রাখবে।

ন্যাটোর এক মুখপাত্র জানান, ডেনমার্ক, গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা চলবে। এর লক্ষ্য হবে গ্রিনল্যান্ডে রাশিয়া ও চীনের কোনো ধরনের অর্থনৈতিক বা সামরিক উপস্থিতি ঠেকানো। তবে আলোচনার সময়সূচি বা স্থান এখনও নির্ধারিত হয়নি। ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই আলোচনায় অংশ নিতে তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং দূত স্টিভ উইটকফকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোক্কে রাসমুসেন বলেন, আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা এবং গ্রিনল্যান্ডের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে সম্মান। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নয়, বরং নীরব কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিত।

এর আগে দাভোসে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনোভাবেই সামরিক শক্তি ব্যবহার করবে না। অনেকে মনে করেছিল আমি শক্তি প্রয়োগ করব, কিন্তু আমি তা করব না। আমি বলপ্রয়োগ চাই না।

ট্রাম্পের এই অবস্থান পরিবর্তনের পর যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। ওয়াল স্ট্রিটে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক দুই মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় একদিনের উত্থান ঘটেছে। তবে ইউরোপীয় কূটনীতিকরা বলছেন, ট্রাম্পের সুর নরম হওয়ায় উত্তেজনা কিছুটা কমলেও গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে মূল বিরোধ এখনো মীমাংসিত হয়নি। গ্রিনল্যান্ডের সরকার এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ