1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলা কিউআরে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেন চালু ৯ মাসে ইসলামী ব্যাংকের লোকসান বেড়ে ৩২৮৫ কোটি টাকা এআইভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা প্রণয়ন করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পর্যটন উন্মুক্ত, জাহাজ অনুমোদনে আটকে সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচল শুরু হতে পারে ৫ নভেম্বর ‘অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ’: খুলনা রেঞ্জের ২৮ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার এইচএসসি পাস করল জেলা ছাত্রদল সভাপতির ছেলে, ‘বিতর্কে’ কমিটি বিলুপ্ত এমপি-মন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব তো বিএনপি-আওয়ামী লীগই দিয়ে রেখেছে: চরমোনাই পীর বাবরকে ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে অনুশীলনের পরামর্শ ইউসুফের ঢাকায় এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট, আসবেন হাজারের বেশি প্রবাসী

মার্কিন শ্রম নীতির বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি, যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১০৮ Time View

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবিষয়ক নতুন নীতি নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ রয়েছে বলে সতর্ক করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার (বাণিজ্য) মো. সেলিম রেজা। ওই চিঠির বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘এখন কী হবে, না হবে আমি জানি না। তবে আমাদের বেসরকারি খাতের ওপর আমার বিশ্বাস আছে এবং আমি এটাও বিশ্বাস করি, আমেরিকায় সরকার বললেই জিনিস বন্ধ হয় না। কারণ, সেখানে বেসরকারি খাত জিনিসপত্র কেনে।
তারা সরকারকে অনেক সময় পাত্তাই দেয় না। তারা কেনে কারণ তারা জিনিসটা সস্তায় পায়। তৈরি পোশাকশিল্প ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং যারা কেনে তারাও ব্যক্তিমালিকানাধীন। ’
বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজের দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা ব‌লেন তিনি।
দামে সস্তা ছাড়াও ভালো মানের পণ্য সময়মতো পায় বলেই যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করে বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বাংলাদেশের ওয়াশিংটন দূতাবাসের কর্মকর্তার ওই চিঠি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি এটা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দেওয়া হয়েছে। তারা বিষয়টি দেখছে। আমি এ বিষয়টি দেখি না। ’
ওই চিঠি নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের সমস্যা হলো দেশের প্রতি ভক্তির অভাব আছে। এ জন্য অনেক গোপন নথি প্রকাশ করে দেয় আমাদের সম্মানিত মিডিয়া। এটা দুঃখজনক। এটা অন্য দেশে হয় না। ’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বিশ্বব্যাপী শ্রমিকদের ক্ষমতায়ন, শ্রম অধিকার ও শ্রমিকদের মানসম্মত জীবনযাপন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্প্রতি একটি প্রেসিডেনশিয়াল মেমোরেন্ডামে সই করেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ১৬ নভেম্বর তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে বলেন, ‘যাঁরা শ্রমিকদের অধিকারের বিরুদ্ধে যাবেন, শ্রমিকদের হুমকি দেবেন কিংবা ভয় দেখাবেন, তাঁদের ওপর প্রয়োজনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। ’
এরপর ২০ নভেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবের কাছে ওই চিঠি পাঠায় ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস। চিঠিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম নীতি একটি বৈশ্বিক নীতি, যা সব দেশের ওপর আরোপিত হতে পারে; তারপরও এটা বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে বাংলাদেশ এই নীতির লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। স্মারকটির প্রকাশ অনুষ্ঠানে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ভারপ্রাপ্ত শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশের শ্রম–সংক্রান্ত বিষয়ে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘স্মারকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের বিবেচনায় শঙ্কিত হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। এই স্মারকে শ্রম অধিকারের বিষয়ে যা বলা হয়েছে, তার পেছনে রাজনীতি রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র নানাভাবে এই রাজনৈতিক অভিপ্রায় প্রয়োগ করতে পারে। সে কারণে এই স্মারক বাংলাদেশের জন্য একটি বার্তা। কারণ, শ্রম অধিকারের অজুহাতে স্মারকে উল্লেখ করা যেকোনো পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র নিতে পারে। এই স্মারকের প্রভাব বাংলাদেশের পোশাক খাতের ওপর পড়তে পারে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। ’
ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকের বিষয়ে ড. মোমেন বলেন, ‘এটা একটা রুটিন বৈঠক। এই বৈঠকের বিষয়ে আপনারা (সাংবাদিকেরা) জানলেন কেমনে? আপনারা সবকিছুই জেনে যান। ’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ