1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:১১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ

থাইল্যান্ডে সংসদ নির্বাচন, চলছে গণভোটও

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১১ Time View

দক্ষিণ পূর্ব- এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডে শুরু হয়েছে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও ক্রমবর্ধমান জাতীয়তাবাদী আবহের মধ্যে সংস্কারপন্থি, সামরিক-সমর্থিত রক্ষণশীল এবং জনতাবাদী এই তিন ধারার রাজনৈতিক দল বহুল আলোচিত এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। এবারের নির্বাচনে ভোটগ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে সংবিধান বদলের প্রশ্নে একটি গণভোটও হচ্ছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে ভোটকেন্দ্রগুলো খুলে দেয়া হয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই ভোটগ্রহণ চলবে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া আগাম ভোটগ্রহণ পর্বে ইতোমধ্যে ২২ লাখের বেশি ভোটার তাদের ভোট দিয়েছেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, থাইল্যান্ডে এবারের সাধারণ নির্বাচনে মোট নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ৫ কোটি ৩০ লাখ এবং ধীরগতির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং তীব্র জাতীয়তাবাদী আবহের প্রেক্ষাপটে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

যদিও ৫০টিরও বেশি দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। তবে এদের মধ্যে পিপলস পার্টি, ভূমজাইথাই এবং ফেউ থাই দেশজুড়ে সংগঠন ও জনপ্রিয়তার কারণে সরকার গঠনের মতো ম্যান্ডেট পাওয়ার অবস্থানে রয়েছে।

নির্বাচনের আগে জরিপ অনুযায়ী, ৫০০ আসনের এই সংসদে কোনও দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে জোট সরকার গঠনের আলোচনা প্রায় নিশ্চিত। নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভোটেই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন।

এদিকে রোববারের ভোটগ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে একটি গণভোটও হচ্ছে। এতে ভোটারদের জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, ২০১৭ সালে সামরিক বাহিনী প্রণীত সংবিধান পরিবর্তন করা হবে কি না। গণতন্ত্রপন্থি গোষ্ঠীগুলো মনে করছে, নতুন সংবিধান সামরিক বাহিনী ও বিচার বিভাগের মতো অনির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের প্রভাব কমানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে রক্ষণশীলদের আশঙ্কা, এতে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হতে পারে

প্রসঙ্গত, থাইল্যান্ডে মূলত নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আগে ভোট হচ্ছে। এর আগে ২০২৩ সালে দেশটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই সময় যারা নির্বাচিত হয়েছিলেন তাদের আগামী চার বছর সংসদের নিম্নকক্ষে থাকার কথা ছিল। তবে চার বছর আগেই হচ্ছে নতুন নির্বাচন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ