1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে দেশব্যাপী ডেটাবেজ তৈরির প্রস্তাব ডা. জুবাইদার নাগরিকের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের দায়িত্ব: অ্যাটর্নি জেনারেল ফ্যাসিবাদকে ফিরে আসতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নারীর কর্মসংস্থান ও শিক্ষার্থীদের সহায়তায় কাজ করছে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী পর্যটন খাতের উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান হাতে নিয়েছে সরকার: প্রতিম স্বৈরাচার কোনোভাবেই যেন ফিরে আসতে না পারে: ডা. জাহিদ যারা ৭১ ভুলে যেতে চায়, তারা বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না : মির্জা ফখরুল প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান আমিরাতের ভিসা-ভুক্তভোগীদের জন্য হটলাইন চালু হচ্ছে : প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী যতই অবরোধ হোক অটোপাসের সুযোগ নেই : হুইপ দুলু

যেসব কুকর্মে আটক হলেন সাহেদ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০
  • ৩৮ Time View

করোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট প্রদান, অর্থ আত্মসাতসহ প্রতারণার অভিযোগে রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মো. সাহেদকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বুধবার ভোরে সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় তার কাছ থেকে একটি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত সপ্তাহের সোমবার থেকে প্রকাশ্যে আসে সাহেদের পৃষ্ঠপোষকতায় রিজেন্ট হাসপাতালের একের পর এক অনিয়ম।
র‍্যাবের অভিযানে জানা গেছে, গত ২৩ মে’র পর করোনার কোনো নমুনা পরীক্ষা করেনি রিজেন্ট। বরং নমুনা ফেলে দিয়ে নিজেদের কম্পিউটারের মাধ্যমে ভুয়া ইউনিক আইডি তৈরি করে মনগড়া রিপোর্ট দিতো রিজেন্ট। পাশাপাশি রিপোর্টে জালিয়াতি করে আইইডিসিআর ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেনটিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন- নিপসমের প্যাড-সিল ব্যবহার করত তারা।
* করোনা টেস্টে অননুমোদিত কিট
অভিযান চালিয়ে রিজেন্ট হাসপাতালে করোনা টেস্টের অননুমোদিত কিট পেয়েছে র‌্যাব। এমনকি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কিংবা বাংলাদেশ সরকার যে কিট ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি, সেটি দিয়েই টেস্ট করছিল রিজেন্ট।
* বিনামূল্যের পরীক্ষা করার জন্য দুই দফায় টাকা নিত রিজেন্ট
সরকারের সাথে চুক্তি অনুযায়ী কোভিড-১৯ বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে রিজেন্টে করোনা রোগীদের নমুনা সংগ্রহের কোনো টাকা নেয়ার কথা না। তবে টেস্টে প্রত্যেকের কাছ থেকে সাড়ে তিন হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা করে নিত তারা। এছাড়া করোনা পজেটিভদের কাছে থেকে পুনঃরায় টেস্টের জন্য এক হাজার টাকা নেয়ার প্রমাণ পেয়েছে র‍্যাব।
* রোগী থেকেও টাকা নিয়েছে, সরকার থেকেই ক্ষতিপূরণ চেয়েছে
করোনা বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে করোনা রোগীদের কাছ থেকে কোনো ফি নেয়ার কথা না। তবে র‍্যাব অভিযানে গিয়ে দেখেছে, রিজেন্ট রোগী প্রতি দেড়লাখ, দুইলাখ ও সর্বোচ্চ আড়াই লাখ টাকা বিল আদায় করত। পাশাপাশি ‘রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দিয়েছে’ এই বাবদ সরকারের কাছে এক কোটি ৯৬ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ বিল জমা দিয়েছে রিজেন্ট হাসপাতাল। অধিদফতর হয়ে সেই বিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গিয়ে প্রায় অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় ছিল। তবে এখনও কোনও অর্থ ছাড় হয়নি।
* অপরাধ ধামাচাপা দিতে অভিনব কৌশল
গত কয়েকদিন ধরে এই অভিযোগগুলো প্রকাশ্যে আসতে থাকলে নিজেদের অপরাধ ঢাকতে নতুন কৌশল নেয় রিজেন্ট। অভিনব এই কৌশলের বিষয়ে র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, রিজেন্টের বিরুদ্ধে যখন সবাই অনিয়মের অভিযোগ করছিল তখন রিজেন্ট কর্তৃপক্ষ এটাকে গোপন করার জন্য গত পরশু একটা প্রেস কনফারেন্স করে।
সেখানে তারা বলে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসবে দায়ী না। রিজেন্ট হাসপাতালের ৩ জন কর্মী এর সঙ্গে দায়ী।
সারোয়ার আলম বলেন, নিজেদের নিরপরাধ প্রমাণ করতে রোববার ১ মাস ৭ দিন আগের ব্যাকডেট দিয়ে ৩ কর্মচারীকে বরখাস্ত করে রিজেন্ট। তাদের বিরুদ্ধে থানায় একটা সাধারণ ডায়েরিও করেছে রিজেন্ট। অথচ ওই ৩ কর্মী গত দেড়মাস অফিস করেছে, হাজিরা দিয়েছে।
রিজেন্ট কর্তৃপক্ষ ফ্লুইড দিয়ে তাদের হাজিরাখাতার সাক্ষরগুলো মুছে দিয়েছে, যাতে সে প্রমাণ করতে পারে যে আগেই তাদের বরখাস্ত করা হয়। শুধু তাই না রিজেন্ট কর্তৃপক্ষ এই ৩ কর্মচারীদের বলেছে যে, আপনারা চাকরি করেন কোনো সমস্যা নেই, আমরা আপনাদের আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসব। তার মানে কর্তৃপক্ষ স্টাফদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে শিকার করার চেষ্টা করেছে। এই সমস্ত অপরাধ ও টাকার নিয়ন্ত্রণ চেয়ারম্যান নিজে করত।
* চেয়ারম্যানসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা
করোনা আক্রান্ত রোগীদের আবেগ নিয়ে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎ করায় গ্রেফতার হওয়া রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলা করে র‌্যাব।
এর আগে, গত ৬ জুলাই সোমবার র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত রিজেন্ট হাসপাতালের দুটো শাখায় (উত্তরা ও মিরপুর) অভিযান চালায়। বিভিন্ন অভিযোগের কারণে শাখা দুটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। ৭ জুলাই বিকেলে উত্তরায় রিজেন্টের প্রধান কার্যালয় সিলগালা করে দেয় র‌্যাব।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ