1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কেন হামের টিকা আমদানি হয়নি, জানা জরুরি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী শুধু খেলা নয়, শিল্প-সংস্কৃতিতেও দক্ষ হতে হবে: শিশু-কিশোরদের প্রধানমন্ত্রী গাজার অঙ্গ হারানো ১১৩৪ শিশুকে বিদেশে যেতে দিচ্ছে না ইসরায়েল আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন রোনালদো আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউতে রপ্তানি পোশাকের দাম কমেছে দারুণ শুরুর পর হতাশায় প্রথম দিন শেষ বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় চেয়ারম্যান নিয়োগ, হাইকোর্টের রুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সৈয়দ ইমতিয়াজ আহমেদ স্মারক বৃত্তি পেলেন ১২ শিক্ষার্থী ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন, ১৯ নভেম্বর চালু

আম্ফানে ২৬ জেলায় মৃত ১০, চার জেলা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২০
  • ৫৮ Time View

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে ২৬ জেলায় এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী প্রায় ১১০০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলাসমূহ হচ্ছে সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী ও বরগুনা।

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ১০ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। এদের মধ্যে পটুয়াখালীতে দুজন, যশোরে তিনজন, ভোলায় একজন, পিরোজপুরে একজন,সাতক্ষীরায় একজন এবং চুয়াডাঙ্গা জেলায় দুইজন মৃত্যুবরণ করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় তার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান পরবর্তী সার্বিক বিষয়ে অনলাইনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামাল এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর মহাপরিচালক মোহাম্মদ মহসিন উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব জেলায় ঘরবাড়ি প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি ও নষ্ট হয়েছে। এসব ঘরবাড়ি সংস্কার ও নির্মাণে প্রতি জেলায় ৫০০ বান্ডিল টিন এবং ১৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ত্রাণের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে চাল ও নগদ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ডা. এনাম বলেন, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও পটুয়াখালীতে পাট, আম, লিচু ও মুগ ডালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ধানের তেমন ক্ষতি হয়নি। তবে, প্রায় ১৫০ কোটি টাকার আমের ক্ষতি হয়েছে। ২০০টি ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার বেশির ভাগ বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলায় অবস্থিত। প্রায় ১৫০ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৮৪টি জায়গায় বাঁধের ফাটল ধরেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব ফাটল ২৫০ থেকে ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আগামীকাল থেকে সংস্কার কার্যক্রম শুরু করবে বলে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে অনেক জায়গায় ডাক বিভাগের টেলিফোন লাইন সমূহ বিচ্ছিন্ন রয়েছে যা শীঘ্রই মেরামত করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, যেহেতু এবার প্রচুর সংখ্যক গবাদি পশুকে নিরাপদে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছিল তাই মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে মৎস্য চাষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার ৫০০ চিংড়ি ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার অর্থমূল্য প্রায় ৩২৫ কোটি টাকা। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের এবং খাদ্য বিভাগের তেমন ক্ষতি হয়নি। গণপূর্ত বিভাগের সামান্য ক্ষতি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ