1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
তরুণদের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টা সংবিধান সংস্কারে গণভোট: স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দ্বিতীয় ফটোকার্ড প্রকাশ উচ্চশিক্ষা নিয়ে ৩ দিনের দক্ষিণ এশীয় সম্মেলনের উদ্বোধন প্রধান উপদেষ্টার প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংকে চালু হচ্ছে শরীয়াভিত্তিক ঋণ প্রদান কার্যক্রম : আসিফ নজরুল ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ছে সরকার : মিডা চেয়ারম্যান সাবেক এমপি মমতাজের বাড়ি ও জমি ক্রোক হাসিনা-টিউলিপ ও আজমিনাসহ ১৮ জনের মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে ৫ চীনা নাগরিকসহ ৮জন গ্রেফতার, ৫১ হাজার সিম উদ্ধার ৪ ব্রিটিশ এমপির বিবৃতি: ‘সব দল না থাকলে নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক বলা যায় না’

কলকাতাতেও ‘গোলি মারো’ স্লোগান বিজেপি কর্মীদের!

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২০
  • ২৬ Time View

দিল্লিতে হিংসার সঙ্গে এক হয়ে যাওয়া স্লোগান ‘গোলি মারো’ স্লোগান শোনা গেল এ বার কলকাতাতেও। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যখন শহিদ মিনারের সভায়, তখন একদল বিজেপি কর্মী সমর্থককে বলতে শোনা গেল ‘দেশ কে গদ্দারোঁ কো / গোলি মারো সালোঁ কো’। তবে পুলিশ ওই মিছিলের মাঝখানে ঢুকে নিরস্ত করে বিজেপির কর্মীদের।

এ দিন দুপুর ২.২০ মিনিট নাগাদ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনের ৬ নম্বর গেট দিয়ে বেরিয়ে আসেন সাত থেকে আট জন বিজেপি কর্মী সমর্থক। তাঁদের হাতে ছিল দলীয় পতাকা। সেই সময় গ্র্যান্ড হোটেলের পাশের গলিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন কিছু মানুষ। তাঁদের হাতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) ও জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) বিরোধী পোস্টার। অমিত-বিরোধী পোস্টারও ছিল বিক্ষোভকারীদের হাতে। সেই সময় বিক্ষোভকারীদের লক্ষ করে আচমকাই দিল্লির কায়দায় ‘গোলি মারো’ স্লোগান দিতে থাকেন ওই বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।

ওই বিজেপি কর্মীরা স্লোগান দিতে দিতে ব্যারিকেডের দিকে এগিয়ে আসতে থাকেন। পাল্টা ব্যারিকেডের বাইরে বার হওয়ার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীদের কয়েকজন। মুহূর্তে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে কলকাতা পুলিশের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাঁরা দু’পক্ষের মাঝে চলে আসেন। তাঁরা দ্রুত দুপক্ষকে আলাদা করে দেন। আটক করা হয় তিন জনকে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ) মুরলীধর শর্মা, অতিরিক্ত কমিশনার ডিপি সিংহ-সহ কয়েক জন পুলিশ কর্তা।

উপস্থিত পুলিশকর্তারা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের সরে যেতে অনুরোধ করেন। শেষ পর্যন্ত ওই জমায়েত সরে যায়। তবে পুরসভা ভবন পর্যন্ত গলিতে তখনও বিক্ষোভ চলছিল। এ দিন ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী থাকায় কোনও রকম অপ্রীতিকতর পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

দিল্লি বিধানসভা ভোটের প্রচারে শাহিন বাগের প্রতিবাদীদের উদ্দেশে প্রথম বার এই স্লোগান তুলেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। ভোটের মুখে ওই স্লোগান নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়। আপ-এর বিপুল জয়ের পর, অমিত শাহ স্বীকার করে নেন, উস্কানি এবং বিদ্বেষমূলক কথাবার্তা বলা ঠিক হয়নি। কিন্তু ক’দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি ফের বদলে যায়। দিল্লি সংঘর্ষের চলতি আবহে বিজেপির কপিল মিশ্র, প্রবেশ বর্মার মতো বিজেপি নেতারা অবাধে উস্কানিমূলক স্লোগান চালিয়ে গিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার বিজেপি বিধায়ক অভয় বর্মার মিছিলেও ওঠে ‘গোলি মারো’ স্লোগান। শনিবার দিল্লির ব্যস্ত মেট্রো স্টেশন রাজীব চকেও ওঠে বিতর্কিত ওই স্লোগান।

düzce escort

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ