1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিদেশি পর্যটকদের কার্ড পেমেন্টের ১৫% বৈদেশিক মুদ্রা রাখতে পারবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ৬০ হাজার কোটি টাকায় হচ্ছে কুমিল্লা–ঢাকা নতুন রেলপথ ড্যাফোডিল ক্যাপ্টেনস কাপ গলফ টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকি কাটিয়ে সচল বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট প্রথম মিনিটে গোল করেও পর্তুগালের কাছে হারল বাংলাদেশ কমনওয়েলথ কাবাডিতে অম্লমধুর দিন বাংলাদেশের ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে ফের সীমান্ত বাণিজ্য চালু বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তার ৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় সপ্তাহব্যাপী নজরুল সাংস্কৃতিক উৎসব ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়ে ভাইকে হত্যা, গ্রেপ্তার ২

‘এক মাসের মধ্যেই আসছে করোনার প্রতিষেধক’

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৫৬ Time View

করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক আসতে দেড় বছর লাগার কথা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কিন্তু যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির এক বিজ্ঞানী দাবি করছেন, আগামী এক মাসের মধ্যেই প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের প্রতিষেধক পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রতিষেধক গবেষণা প্রতিষ্ঠান জেনার ইনস্টিটিউটের প্রফেসর সারাহ গিলবার্ট জানিয়েছেন, তিনি ও তার দল করোনা ভাইরাস থেকে সৃষ্ট রোগ কোভিড-১৯ বিস্তার রোধে দ্রুত কাজ করছেন। শিগগিরই ইতালিতে এ প্রতিষেধক প্রস্তুত করা হবে। এছাড়া পরীক্ষামূলকভাবে (ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল) এর অন্তত এক হাজার ডোজ ব্যবহার করা হবে।

সারাহ গিলবার্টের এ দলটিই ২০১২ সালে ছড়িয়ে পড়া মার্স (মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোম) ভাইরাস মোকাবিলায় গবেষণা করছিলেন। একই গোত্রের হওয়ায় নভেল করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরিতে আগের অভিজ্ঞতাই কাজে লাগাচ্ছেন তারা।

জেনার ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে প্রফেসর গিলবার্ট বলেন, এনসিওভি-১৯ এর মতো নতুন প্যাথোজেনগুলোর জন্য দ্রুত প্রতিষেধক প্রয়োজন। অন্য করোনা ভাইরাসের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা ‘ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের’ জন্য প্রস্তুত হওয়ার সময় কমিয়েছি। এটি যত দ্রুত সম্ভব শেষ করতে আমাদের সঙ্গে কাজ করছে অ্যাডভেন্ট।

ইতোমধ্যে ইতালিয়ান ওষুধ প্রস্তুতকারক অ্যাডভেন্ট এসআরএল করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক উৎপাদনে রাজি হয়েছে। ফলে দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে চলছে কাজ। এক মাসের মধ্যেই ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হবে করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক।

কোনও রোগের প্রতিষেধক প্রস্তুত করতে সাধারণত কোটি কোটি ডলার প্রয়োজন হয়। এরপর তা পরীক্ষা করা হয় হাজারও মানুষের ওপর। সেখানে সফল হলেও প্রতিষেধক বাজারে বিক্রির আগে বেশ কিছু নীতিমালা অনুসরণ করতে হয়।

সূত্র: ডেইলি মেইল

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ