1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিরোধী দলে থাকতেই দাফনে বাধা, ক্ষমতায় গেলে কী করবেন: তাসনিম জারা বিশ্ব ইজতেমার তারিখ দ্রুত ঘোষণার দাবি সাদপন্থীদের পুলিশ সদর দপ্তরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন আইজিপির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের জাপানি বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ অভিনেত্রী শিমু হত্যা মামলা: ‘নির্দোষ’ দাবি করলেন স্বামীসহ দুজন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন আওয়ামীপন্থি দুই আইনজীবী চীনে স্কুল টুর্নামেন্টে ৫ ম্যাচে ১৪৬ গোল হজম বাংলাদেশ দলের, গোল দিতে পারেনি একটিও ব্যাংকগুলোর এনওপি সীমা বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক: বড় এলসি দায় পরিশোধের সুযোগ চট্টগ্রামের চন্দনাইশে এসআরবি সদস্যদের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৫

মুখোশধারী সেই তরুণী আরএসএস-এর সদস্য

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২০
  • ৫৮ Time View

ভারতের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (জেএনইউ) নারীদের হস্টেলে হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। গত ৫ জানুয়ারি নারীদের হস্টেলে হামলা চালায় মুখোশধারী গুন্ডাবাহিনী। ওই হামলার ভিডিও প্রকাশ্যে আসে।

যেখানে এক নারীকে দেখা যায় হামলার নেতৃত্ব দিতে। অবশেষে সেই নারীর পরিচয় প্রকাশ্যে আনল দিল্লি পুলিশ। ওই নারীর নাম কোমল শর্মা। আরএসএসের ছাত্র সংগঠন এবিভিপির সক্রিয় সদস্য কোমল।

জানা গেছে, তিনি দিল্লির দৌলত রাম কলেজের ছাত্রী। নারীদের হস্টেলে আক্রান্ত ছাত্রী ও অধ্যাপকদের একাংশ ওই হামলার পেছনে এবিভিপির যুক্ত থাকার অভিযোগ তুলেছিলেন। এবার মুখোশধারী নারীর পরিচয় প্রকাশ্যে আসতেই অভিযোগ সত্য হলো।

হামলার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে আগেই। ভিডিওতে দেখা যায়, হামলাকারী কোমল শর্মা চেক জামা পরে ছিলেন। হালকা নীল রংয়ের স্কার্ফ দিয়ে মুখ ছিল ঢাকা। হাতে ছিল লাঠি। তিনি ও আরো দুই হামলাকারী ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছিলেন আক্রান্তদের। বাকি দু’‌জনের হাতেও ছিল লাঠি। মুখ ছিল ঢাকা। ৫ জানুয়ারি সবরমতী হোস্টেলে শিক্ষার্থীদের মারধর করা ছাড়াও ভাঙচুর চালানো হয়েছিল।

দিল্লি পুলিশ এরই মধ্যে কোমল শর্মা ও বাকি দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করেছে। বাকি দুই মুখোশধারীর নাম অক্ষত অবস্তি ও রোহিত শাহ। পুলিশের দাবি, তিনজনের ফোনই বন্ধ রয়েছে। কোমল ছাড়াও বাকি দু’‌জন এবিভিপির সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে।

এবিভিপির দিল্লি শাখার সচিব সিদ্ধার্থ যাদব স্বীকার করে নিয়েছেন যে কোমল সংগঠনের সদস্য। তিনি বলেছেন, কোমলের খোঁজ আমরাও করছি। শেষ খবর পেয়েছিলাম, কোমল পরিবারের সঙ্গে রয়েছে। এখন পর্যন্ত তার সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি।

তবে রোহিত শাহ এবিভিপি সদস্য নয় বলেই দাবি সংগঠনের। অতীতে এবিভিপি দাবি করেছিল, অক্ষত অবস্তিও সংগঠনের কেউ নন। যদিও পুলিশ অন্য কথাই বলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ