বাংলাদেশের সামনে এখন তিন বিকল্প। কোনটি বেছে নেবে সে? জাতিসংঘের দূত অস্কার ফার্নানদেজ-তারানকোর দূতিয়ালির ‘রাজধানী এক্সপ্রেস’ গতরাতেও পৌঁছায়নি স্টেশনে। সিইসি’র সঙ্গে শেষ দফা বৈঠকের পরে চারটি ‘যদি’র ওপর বাংলাদেশের রাজনীতির
শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রীর পদে রেখেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট সমাধানের একটি সূত্রে (ফর্মুলায়) বিএনপিকে রাজি করানোর চেষ্টা করছেন জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো। বিএনপির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বিবিসি বাংলাকে এ
বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের অবরোধ কর্মসূচি আগামী শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে এক ভিডিও বার্তায় বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও মুখপাত্র সালাউদ্দিন আহমদ এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রোববার ভোরে নিজ বাস ভবনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, আমরা নির্বাচনে যাব। তবে সুষ্ঠু নির্বাচনে যাওয়ার জন্য সব দলের অংশ গ্রহণ
রাষ্ট্রপতি-রুহুল আমিন বৈঠক, আজ মন্ত্রিসভায় যাচ্ছেন না জাপা মন্ত্রীরা নির্বাচনকালীন সরকারে থাকা জাতীয় পার্টির (জাপা) মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের পদত্যাগপত্র ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার। গতকাল রবিবার
শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকলে আমরা নির্বাচন করবো না। তিনি প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়লে বর্তমান সমস্যার সমাধান হতে পারে। তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকলে নির্বাচনে কারচুপি হতে পারে। নির্বাচন গতবারের মতো ক্র্যাকড হতে পারে। তাছাড়া,
সঙ্কট উত্তরণে জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব দু’টো বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনকালীন সরকার প্রধানের পদ থেকে সরে গিয়ে প্রেসিডেন্টের কাছে দায়িত্ব প্রদান এবং তার অধীনে অথবা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর
বিরোধী দল না এলে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেউ ভোট দিতে যাবে না। এমন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠবে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। চলমান সংকটের সহসা উত্তরণ ঘটবে, এমন আলামত এখনও দেখা যাচ্ছে না। দেশি-বিদেশী সকল মহল একটি অবাঁধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা
‘সর্বদলীয়’ সরকারে থাকা জাতীয় পার্টির মন্ত্রীদের মধ্যে একমাত্র বাণিজ্যমন্ত্রী জি এম কাদের আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকের ব্রিফকেস বা ফোল্ডার ফেরত পাঠিয়েছেন। অন্য পাঁচ মন্ত্রী এ বিষয়ে কিছুই জানাননি। অর্থাৎ তাঁরা মন্ত্রিসভা