বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধ এবং কয়েক দফা হরতালে অগ্নিদগ্ধ হয়ে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের একটি তালিকা খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে সামনে টানানো হয়েছে। শনিবার সাড়ে ১২টার দিকে
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, দেশ যতই এগিয়ে যাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত জ্বালাও-পোড়াও ও সহিংসতা চালিয়ে দেশের উন্নয়ন ততই ব্যাহত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের এ অপচেষ্টা কোনোদিনই সফল হবে না। পরিস্থিতি দ্রুত
খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসেও শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে না যাওয়ায় প্রমাণ হয়- বিএনপি জামায়াতের সংস্কৃতি মেনে নিয়েছে। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে রবিবার আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি
হরতাল-অবরোধ প্রত্যাহার ও চলমান সহিংসতা বন্ধের দাবিতে গুলশানে মানববন্ধন করেছেন আওয়ামী লীগপন্থী বেশ কয়েকটি পেশাজীবী সংগঠন। এতে প্রকৌশলী, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা, লেখক, শিল্পীসহ রাজনৈতিক সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরাও অংশ নেন। রোববার
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কোনো জাতীয় নেতা না, জাতির লজ্জা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। আজ শনিবার ভাষাশহীদ দিবস
বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হানিফকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমানের বনানীর বাসার সামনে থেকে
নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশে গণহত্যা চালাচ্ছেন।’ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে মিছিলপূর্ব এক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। শাজাহান খান বলেন,
নৌপরিবহণমন্ত্রী শাজাহান খানের নেতৃত্বে শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী-মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের পতাকা মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে এ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
অবরোধের মধ্যে নাশকতার ঘটনাকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় উগ্রবাদীদের চলমান সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অংশ বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। বুধবার সকালে রাজধানীর
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, “আমার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলাপ হয়েছে। সরকার এই পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম। সরকার কোনো সন্ত্রাসী দলের সঙ্গে আলোচনায় বসবে না। কোনো ধরনের সংলাপের প্রশ্নই আসে না।