করোনার মৃত্যুপুরী হয়ে ওঠা যুক্তরাজ্যে পিপিই’র (পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট) অভাবে ময়লা ফেলার পলিথিন পরে করোনা রোগীদের সেবা দেওয়া সেই সেই তিন নার্স করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এই ঘটনার মধ্যে দিয়েই ইনটেনসিভ
গোটা বিশ্ব কাঁপছে করোনা। থামছে না মৃত্যুমিছিল। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এরমধ্যেই ধেয়ে আসা ভয়ানক ঘূর্ণিঝড় হ্যারল্ডয়ে আরো বিপর্যস্ত হয়ে পড়ল জনজীবন। বুধবার ঘণ্টায় ২৪০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়ে
করোনাভাইরাসের আতঙ্কে রয়েছে পুরো বিশ্ব। আর এই অস্থির সময়ের স্মৃতিকে ধরে রাখতে সদ্যোজাতের নাম রাখলে রাখলেন লকডাউন এক দম্পতি। ভারতের মধ্যপ্রদেশে এ ঘটনা ঘটেছে। সোমবার মধ্যপ্রদেশের শেওপুর জেলার বাচেরি গ্রামে
বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস।এটা পুরো বিশ্ববাসীর জন্য ঐশ্বরিক (ঐশী) পরীক্ষা। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল খামেনি এই মন্তব্য করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার পবিত্র শবে বরাত (নিসফুশ শাবান) উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেয়া এক
করোনার মৃত্যপুরী হয়ে উঠেছে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্র। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হাডসন নদী পাড়ের ছবির মতো সুন্দর শহর নিউইয়র্ক। হাইরাইজ বিল্ডিংগুলি যেন আকাশকে মাটিতে নেমে আসার হাতছানি দেয়। রাত
করোনাভাইরাস থাবা বসিয়েছে পুরো বিশ্বে।এই ভাইরাসে বেসামাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, স্পেনসহ বহু দেশ। দু’দিন আগে অনেকটা হুমকির সুরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, হাইড্রোক্সিক্লোরোক্যুইন না পাঠালে ভারতকে দেখে নেবে যুক্তরাষ্ট্র।হঠাৎ
বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের ব্যাপক বিস্তৃতিতে এবার ফেস মাস্ক উৎপাদনে নেমেছে জার্মান গাড়ি কম্পানি বিএমডব্লিউ। প্রতিষ্ঠানটির সিইও ওলিভার জিপসে বলেন, কর্মীদের সুরক্ষার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদ্দেশ্যেই আমরা ফেস মাস্ক উৎপাদনের
১৯৪৫ সালের পর এতোটা খারাপ সময় আর আসেনি ফ্রান্সবাসীর জীবনে। এক দুঃসময় যেন টেনে নিয়ে এলো প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। ইউরোপের শক্তিশালী অর্থনীতির দেশটি ক্রমেই ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দার দিকে যাচ্ছে। দেশটিতে চলতি
তিনি মার্টিন শেকরেলি, আমেরিকায় ‘ফার্মা ব্রো’ হিসেবে সবার কাছে সমাধিক পরিচিত। শুরুতে কুখ্যাতি অর্জন করেন এইচআইভির ওষুধের দাম ৫ হাজার গুণ বাড়িয়ে। প্রতিটি ট্যাবলেটের দাম ১৩.৫০ ডলার থেকে বাড়িয়ে করেছিলেন
করোনাভাইরাস থাবা বসিয়েছে পুরো বিশ্বে।এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে ১৩০ কোটি জনসংখ্যার দেশ ভারতে। দেশটিতে প্রতি দশ লাখ মানুষের মধ্যে মাত্র ১৮ জনের করোনা স্ক্রিনিং টেস্ট করা হচ্ছে। এই পরিসংখ্যান বিতর্ক