1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রবাসীদের নিয়ে ডিসেম্বরে হবে ‘এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট’ যুক্তরাষ্ট্রে বসে ঢাকায় ‘কুশ’ চাষের মামলায় প্রবাসী গ্রেপ্তার কমনওয়েলথ বৈঠকে যোগ দিতে গেছেন হুমায়ুন ১১ বছর পর নতুন কাঠামোয় বেতন পেলেন সরকারি চাকরিজীবীরা রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে চান মালিকরা খুলনায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে তাঁতি দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা ভারতের সঙ্গে স্থলবন্দরের বাণিজ্য চুক্তির তথ্য চেয়েছে সংসদীয় কমিটি পূবালী ব্যাংকের গুলশান সার্কেল-১ শাখা এখন ইসলামী ব্যাংকিং শাখা এবি ব্যাংকের স্থানান্তরিত অষ্টগ্রাম শাখা চালু মেঘনা ব্যাংক চামড়া শিল্পের বিকাশে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক-অর্থায়ন স্কিমে যুক্ত হলো

‘সোজা কথা’ শেষে আদালতের পথে রতন

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১ মে, ২০১২
  • ১৭০ Time View

টকশো ‘সোজা কথা’ শেষ করে সোজা পথে বাসায় যেতে পারলেন না বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান রতন। `দেশ টিভি`র টকশো ‘সোজা কথা’-য় অংশ নিয়ে টিভিস্টেশনটির সামনে আসামাত্র সেখান থেকেই তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

রোববার দিনগত রাত পৌনে একটায় তার ছোট ভাই মুসা কলিমুল্লাহর সামনে থেকে তাকে ডিবি পুলিশের পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। অথচ দীর্ঘ সাত ঘণ্টা পর সোমবার সকালে রতনকে আটকের কথা স্বীকার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এরপর তাকে দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার সকালে আদালতে নেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে।

টেলিভিশনে টকশো শেষে বাসায় গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে একসঙ্গে খাওয়ার টেবিলে বসার কথা ছিল তার। স্ত্রী নুরে জান্নাত এজন্য তার পথ চেয়েছিলেন।

লাইভ টকশো শেষ হলে স্ত্রী নুরে জান্নাত যখন স্বামীর অপেক্ষায়, তখনই তার কাছে দেবর মুসার ফোন যায়: “ ভাবি ভাইয়াকে (রতন) তুলে নিয়ে গেছে ডিবি।

ডিবি পুলিশ কাউকে ধরলে সোজা তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ার কথা। ব্যতিক্রম হয় রতনের বেলায়। এমনকি তার স্ত্রী খোঁজ করতে গেলে তাকে জানিয়ে দেওয়া হয়, “আমরা রতন নামের কাউকে চিনি না।“ সারা রাত ধরে চলে স্ত্রীর ছোটাছুটি।

একবার রমনা মডেল থানা, আরেকবার তেজগাঁও থানা ঘুরে আবার ডিবি অফিসে। কিন্তু কেউ সোজা কথাটি সোজা করে বলেননি। সবাই বলেছেন “আমরা কিছুই জানি না।“ রতনের সন্ধান দেওয়ার ব্যাপারে সবার মধ্যে উদাসীন ভাব। “জানি না“ বলেই দায় সেরেছেন।

পরিবারের পাশাপাশি মিডিয়াকর্মীদেরও সোজা কথা বলেনি ডিবি অফিস। সারারাত ধরে চলে কামরুজ্জামান রতন পরিবারের সঙ্গে মিডিয়াকর্মীদের ছোটাছুটি।

রতনের স্ত্রীর দাবি ছিল: “আমার স্বামীকে একনজর দেখানো হোক। তাহলেই আমি স্বস্তি পাবো।“

সোজা কথা সোজা করে বললেই এতো উদ্বেগ উৎকণ্ঠা ও দৌড়ঝাঁপ করার দরকার হতো না। পরিবারের প্রশ্ন, কেন সোজা ছেড়ে বাঁকা পথে হাঁটল ডিবি পুলিশ।

রাতভর নাটক শেষে সকাল আটটায় ডিবির মিডিয়া উইং কর্মকর্তা রতনকে আটকের কথা স্বীকার করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ