1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কাশিমপুর কারাগারে ১২ আসনের ইলেকট্রিক কার্ট দিল মধুমতি ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও ট্রেডউইন্ডের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে মালদ্বীপের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির রায়হান হত্যা মামলায় এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড, দুজনের যাবজ্জীবন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান অসুস্থতা কাটিয়ে কনের সাজে হাজির প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রা বিলম্ব বিশ্ব স্ট্রোক দিবসে এভারকেয়ার চট্টগ্রামে পেশেন্ট ফোরাম ও সচেতনতামূলক র‍্যালি ঢাকা দক্ষিণের সাবেক কাউন্সিলর সাঈদের ৭ বছরের কারাদণ্ড রাজশাহীতে বাড়ির ছাদে কৃষককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

‘অধিগ্রহণ হচ্ছে না হলমার্কের সম্পত্তি’

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১২
  • ১৩১ Time View

সোনালী ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারির জেরে হলমার্ক গ্রুপের সম্পত্তি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা নেই সরকারের- জাতীয় সংসদকে এমনটা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

রবিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য সালমা ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, হলমার্ক কেলেঙ্কারির মতো প্রতারণামূলক ঘটনা ব্যাংকিং খাতে যেন ভবিষ্যতে না হয় সে জন্য ব্যাংক পর্যায়ে ইনল্যান্ড বিল ক্রয় করার ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে। বর্তমানে এ ক্ষমতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়গুলোর ওপর ন্যস্ত বলে সংসদকে জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সোনালী ব্যাংকের এডি শাখাগুলোর কার্যক্রম তদারকির জন্য এডি ব্রাঞ্চেস ইন্সপেকশন অ্যান্ড মনিটরিং ডিভিশন নামে একটি আলাদা বিভাগ খোলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে সোনালী ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংকে আর্থিক অনিয়ম উদঘাটিত হয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, হলমার্ক গ্রুপের সম্পত্তি সরেজমিন পরিদর্শন করে দলিলপত্রাদি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া ও মূল্যায়নের জন্য সোনালী ব্যাংক পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করেছে। এছাড়া সম্পত্তি মূল্যায়নের জন্য ব্যাংক জরিপ প্রতিষ্ঠানকে কাজে লাগিয়েছে। তবে আপাতত এই গ্রুপের স্থাবর-অস্থাবর কোনো সম্পত্তি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা নেই সরকারের।

মন্ত্রী জানান, হলমার্কসহ ছয়টি গ্রুপের নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান নিজেদের মধ্যে স্থানীয় এলসি স্থাপন, অভ্যন্তরীণ বিল ক্রয়, ভুয়া রপ্তানি বিল ক্রয়, অ্যাকোমোডেশন বিল সৃষ্টি এবং প্যাকিং ক্রেডিট সুবিধার মাধ্যমে ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে জালিয়াতির মাধ্যমে ৩ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়।

একই ধরনের জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের গুলশান শাখায় ১০৬ কোটি ৮১ লাখ এবং আগারগাঁও শাখায় ১৪১ কোটি টাকা জালিয়াতি হয়েছে। এছাড়া রূপালী ব্যাংকের স্থানীয় অফিস থেকে মেসার্স মাদার টেঙাইল মিলস লিমিটেডের ২১৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা উদঘাটিত হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

এসব ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মামলাগুলো দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) পাঠানো হয়েছে বলে জানান আবুল মাল আবদুল মুহিত।

তিনি আরও জানান, জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করাসহ জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রেখেছে দুদক।

ব্যাংকিং খাতে আরও জালিয়াতি সংঘটিত হওয়ার আগেই পূর্বাভাস নির্ণয়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভিশন পদ্ধতিকে উন্নত ও যুগোপযোগী করা হচ্ছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ