1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিলুপ্ত ফুটি কার্পাস পুনরুদ্ধার, ১৭০ বছর পর বিশ্ববাজারে ফিরছে ঢাকাই মসলিন বিপিজেএ খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত আরও এক বছর অর্থ সচিব থাকছেন খায়েরুজ্জামান সাভারে যমুনা ব্যাংকের উপশাখা উদ্বোধন বাংলাদেশ-স্পেন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ জোরদারে গুরুত্ব আরোপ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর চিত্রনাট্যে ছিল না, কিন্তু সাহসী দৃশ্যে রাজি ছিলেন রেখা-অক্ষয় নেতানিয়াহুর থাকা না থাকায় বিশ্বে কী প্রভাব পড়বে? আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা শুরু ২৯ অক্টোবর, থাকবে ২০টির বেশি দেশ ভারতের কাছে এবার ১৩ গোল হজম করল বাংলাদেশ সরকারি ব্যাংকের মধ্যে প্রথম মাস্টারকার্ডের লাইসেন্স পেল বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক

৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জনগণ নৌকাকেই বেছে নেবে: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • ১২০ Time View

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমান সরকারের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে। দেশের মানুষের ওপর আমার আস্থা আছে। তাদের সাংবিধানিক অধিকার আর কাউকে কেড়ে নিতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেছেন, ঐক্যফ্রন্ট আজ যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসনে নেমেছে। তাদের আদর্শহীনতা কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে! তারা কিসের লোভে দুর্নীতিবাজদের সাথে হাত মিলিয়েছে? অপরাধীদের উদ্ধার করতে নেমেছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা?

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীরা কী করে মনোনয়ন পেলো? ঐক্যফ্রন্ট নেতারা তো দিকভ্রষ্ট, আদর্শহীন। এরা মানুষকে কিছু দিতে পারবে না। এদের কাছে দেশবাসীর চাওয়ারও কিছু নাই। মানুষ ভালো থাকলে তাদের ভালো লাগে না।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে কোনো পরিবর্তনের কথা বলছেন তারা…? জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটের মাধ্যমে দেশকে পিছিয়ে দিয়ে পরিবর্তন? আর কোথায় স্বৈরাচারী অবস্থান দেখেন তারা?

২০০১ সালে চার দলীয় জোট সরকারের কথা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ২০০১ এ ক্ষমতায় তারা জনগণের ভোটে আসেনি। তাই জবাবদিহিতাও ছিলো না জনগণের কাছে। সেজন্য খুন-হত্যা-লুট ও সন্ত্রাস করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করেছিলো বিএনপি-জামায়াত সরকার।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের ১০ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশের কপালে যে দুর্নীতিগ্রস্তের তকমা ছিলো- তা দূর করা হয়েছে। মানুষের জীবনমানে আজ পরিবর্তন হয়েছে। তারা আজ আশাবাদী হতে পারে, আস্থার ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, বিরোধী দল আমাদের সমালোচনা করবে এটাই স্বাভাবিক। তারা নির্বাচনকে বানচাল করতে চেয়েও পারেনি। কেননা, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে মানুষ নৌকাকে বেছে নিয়েছিলো দেশের অগ্রগতির জন্য।

শেখ হাসিনা বলেন, আজ দেশের সত্যিকারের পরিবর্তন হয়েছে। দেশের সব ক্ষেত্রেই আজ উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। মানুষের যে সত্যিকারের উন্নয়ন, তা তো আওয়ামী লীগই এনে দিয়েছে। আমাদের লক্ষ্যই হলো- দেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাওয়া।

দেশের উন্নয়নে ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে দারিদ্র্যমুক্ত হবে বাংলাদেশ-এটাই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য। কারণ আওয়ামী লীগ চায় দেশের হতদরিদ্র্য মানুষ স্বাবলম্বী হোক। তৃণমূলের মানুষ আজ সবচেয়ে বেশি উপকৃত।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য করে শেখ হাসিনা বলেন, তারা সরকার গঠন করবেন ভালো কথা। কিন্তু তাদের প্রধান কে হবেন- তা জানেন না তারা। দেশের মানুষকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে৷ আমার বিশ্বাস, দেশের মানুষ ভুল সিদ্ধান্ত নেবে না। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা যাতে কেউ থামিয়ে দিতে না পারে- সেজন্য আরো পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকা প্রয়োজন আওয়ামী লীগের।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ