1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ইয়াবাসহ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তাঁর ৪ সঙ্গী গ্রেপ্তার বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন সহযোগিতা বাড়াতে চায় ফিলিপাইন গোপনে বিয়ের গুঞ্জন সাই পল্লবীকে ঘিরে, আসল কারণ জানালেন অভিনেত্রী চার দিনের জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী ফুলব্রাইট বৃত্তির সুযোগ বাড়াতে উদ্যোগ নিচ্ছে ইউজিসি ত্রুটি সারিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার পথে বিমান এশিয়া কাপ আর্চারিতে স্বর্ণ জিতলেন বাংলাদেশের বর্ণা আক্তার জাপান সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

হাজী সেলিমের ছেলে এরফান গ্রেফতার

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪৭ Time View

নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিমকে মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে মোহাম্মদ এরফানকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

আজ সোমবার রাজধানীর পুরান ঢাকার লালবাগের পোস্তা এলাকায় সেলিমের বাসভবন মদিনা টাওয়ার থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

এর আগে র‌্যাবের একটি দল হাজী সেলিমের ছেলেকে গ্রেফতার করতে তার বাসায় তল্লাশি চালায়।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করা হয়। রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও আজ (সোমবার) ভোরে হাজী সেলিমের ছেলেসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, এরফানের গাড়ি ওয়াসিফকে ধাক্কা মারার পর তিনি সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ান এবং নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে আসামিরা একসঙ্গে বলতে থাকেন, ‘তোর নৌবাহিনী/সেনাবাহিনী বের করতেছি, তোর লেফটেন্যান্ট/ক্যাপ্টেন বের করতেছি। তোকে এখনি মেরে ফেলব’ বলে কিল-ঘুষি মারেন এবং আমার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তারা আমাকে মারধর করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায়। পরে আমার স্ত্রী, স্থানীয় জনতা এবং পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডি থানার ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মডেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।

মামলায় মোট পাঁচটি ফৌজদারি অপরাধের ধারার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অপরাধগুলো হলো- দণ্ডবিধি ১৪৩ অনুযায়ী বেআইনি সমাবেশের সদস্য হয়ে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধমূলকভাবে বল প্রয়োগ করা, ৩৪১ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তকে অবৈধভাবে নিয়ন্ত্রণ করা, ৩৩২ ধারা অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তার কাজে বাধাদানের উদ্দেশ্যে আহত করা, ৩৫৩ ধারা অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তার ওপর বল প্রয়োগ করা এবং ৫০৬ ধারায় প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ