1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিলুপ্ত ফুটি কার্পাস পুনরুদ্ধার, ১৭০ বছর পর বিশ্ববাজারে ফিরছে ঢাকাই মসলিন বিপিজেএ খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত আরও এক বছর অর্থ সচিব থাকছেন খায়েরুজ্জামান সাভারে যমুনা ব্যাংকের উপশাখা উদ্বোধন বাংলাদেশ-স্পেন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ জোরদারে গুরুত্ব আরোপ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর চিত্রনাট্যে ছিল না, কিন্তু সাহসী দৃশ্যে রাজি ছিলেন রেখা-অক্ষয় নেতানিয়াহুর থাকা না থাকায় বিশ্বে কী প্রভাব পড়বে? আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা শুরু ২৯ অক্টোবর, থাকবে ২০টির বেশি দেশ ভারতের কাছে এবার ১৩ গোল হজম করল বাংলাদেশ সরকারি ব্যাংকের মধ্যে প্রথম মাস্টারকার্ডের লাইসেন্স পেল বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক

মালালার আত্মজীবনী ‘আই অ্যাম মালালা’ প্রকাশ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১৭৩ Time View

malala-autobiographyতালিবানদের হামলার পর পাকিস্তানি কিশোরী মালালা ইউসুফজাইয়ের জীবন কেমন ছিল, সে বিষয়ে বিশ্ববাসীর আগ্রহের অবসান ঘটাতেই মঙ্গলবার লন্ডন থেকে প্রকাশিত হল মালালা ইসুফজাইয়ের আত্মজীবনী ‘আই অ্যাম মালালা : দ্য গার্ল হু স্টুড আপ ফর এডুকেশন অ্যান্ড ওয়াজ শট বাই দ্য তালেবান’। মালালার আত্মজীবনীটির সহ-লেখক ব্রিটিশ সাংবাদিক ক্রিস্টিনা ল্যাম্ব।

বইয়ের প্রতিটি পাতায় উঠে এসেছে মালালার দু:সহ দিনগুলির কথা। মালালা লিখেছে, আমার কন্ধুরা আমাকে জানিয়েছিল য়ে তালিবানরা পরপর তিনবার আমাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তার লম্বা চুলও রক্তে ভেসে গিয়েছিল বলে জানিয়েছে মালালার লেখনী। মালালার মনের জোর বারবার ফুটে উঠেছে কলমে। সে লিখেছে, সবারই একদিন মৃত্যু হবে। তাই , মৃত্যুর ভয়ে থেমে না গিয়ে নিজের কাজ চালিয়ে যাওয়াই উচিত। মৃত্যুর সঙ্গে রীতিমতো যুদ্ধ করে সৃস্থ হয়ে ওঠে মালালা। মনের জোরকে সম্বল করেই ফের ময়দানে নেমে পড়েছে সে। চালিয়ে যাচ্ছে তার কাজ। লন্ডনের হাসপাতালে চিকিৎসার কথাও উঠে এসেছে তার আত্মজীবনীতে।

মালালা বলছে, রাতে সবাই না ঘুমুনো পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করতাম। পরে প্রতিটি দরজা ও জানালা পরীক্ষা করে ঘুমুতে যেতাম। তবে হুমকিতে আমি ভয় পাইনি। কারণ আমার মনে হতো, একদিনতো সবাইকেই মরতে হবে। ‘আমি যা করতে চাই তাই করা উচিত’ বলে আমার মনে হয়েছে।
২০১২ সালের ৯ অক্টোবর, এই দিনেই মালালার স্কুলবাসে উঠে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে ছিল তালিবানরা। মেয়েদের শিক্ষার অধিকারের জন্য লড়াই করাই ছিল তার অপরাধ। যদিও তালিবানদের দাবি, ইসলাম সম্প্রদায়কে ছোট করে দেখানোর জন্যই মালালাকে গুলির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। শিক্ষা বিস্তারের জন্য নয়। ফের সুযোগ পেলে মালালাকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দিয়েছে তালিবানরা।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ