1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ইয়াবাসহ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তাঁর ৪ সঙ্গী গ্রেপ্তার বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন সহযোগিতা বাড়াতে চায় ফিলিপাইন গোপনে বিয়ের গুঞ্জন সাই পল্লবীকে ঘিরে, আসল কারণ জানালেন অভিনেত্রী চার দিনের জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী ফুলব্রাইট বৃত্তির সুযোগ বাড়াতে উদ্যোগ নিচ্ছে ইউজিসি ত্রুটি সারিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার পথে বিমান এশিয়া কাপ আর্চারিতে স্বর্ণ জিতলেন বাংলাদেশের বর্ণা আক্তার জাপান সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

পাওয়া যাচ্ছে না ডেটল-স্যাভলন, ক্ষতস্থানে দুবলা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২০
  • ৫২ Time View

ভাই ডেটল স্যাভলন কোথাও পাইনি। তাই দুবলা দিয়ে কাজ চালিয়েছে যাচ্ছি। ছোটকালে দেখতাম বাপ-চাচারা কোনো কারণে হাত পা কেটে গেলে দুবলা চাবিয়ে হাতে-পায়ে লাগিয়ে দিয়েছে। ওই নীতিই এখন ফলো করছি।

আমার ছেলের ক্ষতস্থানে সেটাই লাগিয়ে দিয়েছি। ঢাকা শহরের দুবলা পাওয়া খুবই কষ্টের বিষয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে পেলাম।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলের দিকে রামপুরা ওয়াপদা রোডে আব্দুল কাদের নামের মধ্যবয়সী এক ব্যক্তি তার চার বছরের ছেলেকে কোলে কোলে নিয়ে বিভিন্ন ওষুধের দোকান ঘুরছে। প্রশ্ন একটাই- ডেটল,স্যাভলন আছে কিনা। চার থেকে পাঁচটি দোকানে একই কথা- ১০ থেকে ১৫ দিন আগে থেকেই এসব জিনিস নেই। যারা সাপ্লাই দেয় তারা আসে না। অবশেষে ডেটল স্যাভলন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে হাতিরঝিল থেকে দুবলা ঘাস সংগ্রহ করে তা মুখে দিয়ে চিবিয়ে ছেলের ক্ষত জায়গায় লাগিয়ে দিয়েছে আব্দুল কাদের।

আব্দুল কাদির বলেন, আমার ছেলে ছাদে খেলতে গিয়ে পড়ে গিয়ে হাতে পায়ে ও হাটুতে ব্যথা পেয়েছে। ছিলে গেছে, সেখান থেকে রক্ত বের হচ্ছিল। রামপুরা এলাকায় বেশ কয়েকটি দোকান ঘুরে কোথাও ডেটল স্যাভলন পেলাম না। তাই পুরাতন নিয়ম বাপ চাচাদের থেকে শিক্ষা নেওয়া দুবলা চিবিয়ে রস করে সন্তানের ক্ষত জায়গায় লাগিয়ে দিলাম।

পরে ওই এলাকায় হক ফার্মা সিটি ফার্মা, অপূর্ব ফার্মা ওষুধের দোকানে থাকা দোকানদারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৫ থেকে ২০ দিন আগেই সেগুলো শেষ হয়ে গেছে। কোনো ডেটল স্যাভলন এখন নেই। কোম্পানি আগে এসে দিয়ে যেত। এখন যোগাযোগ করলেও সেগুলো পাওয়া যায় না। তারা ফোনও ধরেনা।

এদিকে খিলগাঁও গোড়ান নবাবীমোড় এলাকায় মজুমদার ফার্মেসির মালিক শাহীন বলেন, আমার দোকানে আগে যা ছিল সব বিক্রি হয়ে গিয়েছে। করোনাভাইরাস শুরুর পর থেকেই এগুলার সাপ্লাই আর পাওয়া যাচ্ছে না। আনুমানিক ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে আমার দোকানে ডেটল স্যাভলন নেই। নতুন করে অর্ডার যে দেবো তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।
এদিকে রাজধানীর শনিআখরা থেকে সরকারি চাকরিজীবী আলামিন বলেন, ডেটল স্যাভলন নানা কাজে আমি আগে থেকে ব্যবহার করে আসছি। আমার গোসলের সময় আমি বালতির পানিতে কয়েকটা ফোঁটা ডেটল ব্যবহার করে থাকি। এখন ১০ থেকে ১৫ দিন হলো ডেটল-স্যাভলন কোথাও পাচ্ছি না। শনিআখড়া থেকে শুরু করে গুলিস্তান পর্যন্ত খুঁজতে খুঁজতে অনেক ওষুধের দোকানে গিয়ে কোথাও পাইনি। অবশেষে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে বেশ কয়েকটি ওষুধের দোকানে সেখানেও খুঁজেছি পাইনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ