1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে হচ্ছে না জাতীয় যুব মেলা: আমিনুল হক গাবতলী-নারায়ণগঞ্জ মেট্রোরেলে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন চেয়ে সরকারের চিঠি সিলেট-মাস্কাট রুটে ফ্লাইট বাড়ালো সালামএয়ার ‘ধুরন্ধর সিনেমা দেখলেই বুঝবেন ভারত খুব শক্তিশালী দেশ’ ভারতের বিপক্ষে ধুঁকতে থাকা নিউজিল্যান্ড পেল আরেকটি দুঃসংবাদ মাহবুব-উল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড, সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ আদালতে আসামিদের ডিজিটাল হাজিরা চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার: আইনমন্ত্রী আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হচ্ছেন চীনের মিন লিয়াও বিভক্ত বিশ্বে অভিন্ন ভবিষ্যতের জন্য সেতুবন্ধ তৈরিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত এআই ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে আসছে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে

ক্যানসার গবেষণায় বাঙালি বিজ্ঞানীর সাফল্য

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২০ জুলাই, ২০১৪
  • ১১৪ Time View

ক্যানসারের জন্য দায়ী কয়েকটি জিনের মধ্যে মিক (এমওয়াইসি) একটি৷ প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ ক্যানসারই হয়ে থাকে এই জিনের কারণে৷ এবার মিককে নিয়ন্ত্রণের দিকে এগিয়ে গেলেন বিজ্ঞানীরা৷

আমেরিকার মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক অনিন্দ্য বাগচীর নেতৃত্বে একদল বিজ্ঞানীর একটি গবেষণা সম্প্রতি ‘নেচার জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।image_91255_0

বিষয়টি নিয়ে কথা হয় বাগচীর সঙ্গে৷ ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেন, গবেষণায় পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এখন ওষুধ উদ্ভাবনের কাজ শুরু হবে৷ তারপর সেটা বিভিন্ন পর্যায় পেরিয়ে রোগীদের কাছে যেতে সাত-আট বছর লাগতে পারে৷

বাগচী বলেন, প্রায় ৩০ বছর আগে মিক জিন আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানীরা৷ এজন্য তারা নোবেল পুরস্কারও পেয়েছেন৷ ‘‘মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় এই জিনের বিকৃতি ঘটলে তখনই ক্যানসার হয়,” বলে জানান তিনি৷

সারা বিশ্বের ক্যানসার গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো অনেকদিন থেকেই মিক নিয়ন্ত্রণের উপায় বের করার চেষ্টা করছে৷ কিন্তু দুটো কারণে সেটা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান বাগচী৷

‘এক, মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় হওয়ায় মিককে সরিয়ে দেয়া সম্ভব নয়৷ আর দুই, মিকের কোনো ‘পকেট’ নাই, যেখানে আটকে গিয়ে কোনো ওষুধ তার কার্যকারিতা দেখাতে পারে,” বলেন তিনি৷

এই পরিস্থিতিতে বাগচীর দল যেটা করেছেন সেটা হচ্ছে তারা মিকের একটা ‘রেগুলেটর’ বা নিয়ন্ত্রক বের করেছেন৷ ‘পিভিটিওয়ান’ নামের নন কোডিং আরএনএ-ই হলো সেই রেগুলেটর৷ ‘‘আমরা দেখেছি যে, পিভিটিওয়ানের কারণে মিক জিন বিকৃতি রূপ লাভ করে৷ আবার যদি পিভিটিওয়ানকে সরিয়ে দেয়া যায় তাহলে সেটা আগের অবস্থায় ফিরে আসে৷”

অর্থাৎ পিভিটিওয়ানকে লক্ষ্য করে যদি কোনো ওষুধ বানানো যায় তাহলে তার মাধ্যমে মিককেও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে৷ বাগচীর দল এখন সে লক্ষ্যেই কাজ শুরু করবে বলে জানিয়েছেন৷ সূত্র: ডিডব্লিউ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ