1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
যুক্তরাজ্যে শিক্ষার্থী ভিসায় আর্থিক সামর্থ্য প্রমাণের শর্ত কঠোর হচ্ছে স্বপ্ন-বঞ্চনার নাটক ‘শুভঙ্কর হাত ধরতে চেয়েছিল’, আসছে শিল্পকলায় মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা বানাতে চান বিপাশা হায়াত, কেন? ২০২৭ সালেই শৈশবের ক্লাবে ফিরছেন মেসি? বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর পুলিশ কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতা নিহতের ঘটনায় পলাতক ট্রাকচালক গ্রেপ্তার সৌদি আরবে নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ আসছে কাল দেশের ৪৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে গবেষণা প্রকাশনায় শীর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে সিনেমা পরিচালনা করলে রাজের পরামর্শ নেব: দেব শুরু হলো তৃতীয় দিনের খেলা, লক্ষ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্রুত গুটিয়ে দেওয়া

কর্মস্থলে মেয়েদের জিন্স টি-শার্ট পরে আসতে মানা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১১ মে, ২০১২
  • ১৭০ Time View

ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের নারী ও শিশু অধিদপ্তর (ডব্লিউসিডি) তাদের মাঠকর্মীদের ‘শালীন’ পোশাক পরার পরামর্শ দিয়েছে। তারা বলেছে, নারী কর্মীরা যেনো কর্মস্থলে জিন্স ও টি-শার্ট পরে না আসে।

ডব্লিউসিডি এ ব্যাপারে তাদের শাখা পরিচালকদের কার্যালয়ে গত ১৮ এপ্রিল প্রজ্ঞাপন দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মেয়েরা শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ সঙ্গে দোপাট্ট আর ছেলেরা শার্ট ও প্যান্ট পরে কর্মস্থলে যাবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ইদানীং লক্ষ্য করা যাচ্ছে বেশিরভাগ নারী কর্মী জিন্স-টিশার্ট বা পশ্চিমা পোশাক পরে কর্মস্থলে আসছেন। এটা শুধু বেখাপ্পায়ই লাগে না বরং সরকারি আইনেরও লঙ্ঘন। নতুন আইন লঙ্ঘনকারীদের ব্যাপারে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

অনেকের মধ্যে আপত্তি থাকলেও নারী ও শিশু অধিদপ্তরের এ নতুন আইনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন রাজ্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রী গীতা ভুকাল। তিনি বলেছেন, ‘সব পেশারই একটা ড্রেস কোড থাকে। আর সবাইকে তা মেনে চলা উচিৎ। তবে এ আদেশে যদি কেউ মনক্ষুণ্ন হন তাহলে অভিযোগের ভিত্তিতে তা পুনরায় পর্যালোচনা করে দেখা হবে।’

প্রজ্ঞাপনে জিন্স ও টি-শার্টকে পরোক্ষভাবে অশালীন পোশাক বলায় অবশ্য সমালোচনা করেছেন গীতা। তিনি বলেছেন, ‘জিন্স ও টি-শার্ট অশালীন পোশাক নয়। আমি বুঝি যে, প্রজ্ঞাপনে এই শব্দটি ব্যবহার করা ঠিক হয়নি।’

আদেশের ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে ডব্লিউসিডির’ একজন নারী কর্মকর্তা বলেছেন, ‘এ অদ্ভুত আদেশের পেছনের যুক্তিটা কী আমরা তা বুঝতে পারছি না। অথচ বেশিরভাগ নারী এবং কর্মীই ভারতীয় পোশাক পরে। আমরা জানি না, এ আদেশের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ জানাতে পারব না কি না যেখানে আমাদের বেশিরভাগ কর্মীই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া।’

কাকতালীয়ভাবে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন নারী ও শিশু অধিদপ্তরের সচিব এবং সব শাখা পরিচালক নারী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ