1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তর ক্রিপ্টো চুরিতে উত্তর কোরিয়াকে দায়ী করল এফবিআই দুর্নীতির মামলা: সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল নোরা ফাতেহিকে দিল্লির আদালতের সমন নভেম্বরে মুক্তি: দেখার মতো ১২টি সিনেমা আইফার মঞ্চে ‘ধুরন্ধর’ পেল ১২ পুরস্কার, সেরা অভিনেত্রী-শিল্পী হলেন যারা বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন লালন শাহ: দীনেশ ত্রিবেদী শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন ঢাকা বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের জামিন প্রভাব বিস্তারের লড়াইয়ে আলজেরিয়া-মরক্কো মুক্তির আগেই যে রেকর্ড গড়লো শাহরুখের ‘কিং’

আধুনিক ও কৃষির যান্ত্রিকীকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : কৃষিমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ৬২ Time View

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশ প্রকৃতিগতভাবেই দুর্যোগপ্রবণ দেশ। তাই উৎপাদন ঠিক রাখতে হাওরের ৭০ শতাংশ এলাকায় কৃষিতে আমরা ভর্তুকি দিয়েছি। আর, উৎপাদন ঠিক রাখার জন্য আমাদের আধুনিক ও কৃষির যান্ত্রিকীকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আজ শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) ইন্দো-বাংলাদেশ এগ্রি মেকানিসেশন সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে (আইসিসিবি) তিন দিনব্যাপী এ সামিট চলছে।
তিনি বলেন, শিল্পায়নের কারণে প্রতিবছর ১ শতাংশ করে ভূমি কমছে। কাজেই দেশের পুরোনো কৃষি পদ্ধতি বদলানোর কোনো বিকল্প নেই।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কের শীর্ষে আছে। ভারতে রপ্তানি আরও বাড়াতে চায় বাংলাদেশ। শুধু দুই দেশের আধুনিক প্রযুক্তি উন্নয়নে নয়, খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নে এ সামিট ভূমিকা রাখবে।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ১৯৭৩ সালে জাতির পিতার যুগান্তকারী উদ্যোগে ৪০ হাজার বিদ্যুৎ চালিত পাম্প, ২৯০০ গভীর নলকূপ ও তিন হাজার যান্ত্রিক টিউবওয়েল কৃষকদের বিতরণ করা হয় খুবই কম মূল্যে। এটা ছিল আধুনিক কৃষির শুরু। আমরা বলি, সেটাই ছিল বাংলাদেশে আধুনিক কৃষির শুরু।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। তিনি বলেন, আমি মনে করে এটি একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। এর মাধ্যমে দুই দেশের কৃষি এগিয়ে যাবে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে এটি আরও কাজ করবে বলে বিশ্বাস করি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে খাদ্য ও শিল্পের উন্নয়নে কৃষি খাতের ব্যাপক অবদান আছে। এই সামিটের মাধ্যমে দুই দেশের কৃষিতে নতুন প্রযুক্তি আসবে। এতে করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ২০২২ সালে আমাদের কৃষিতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ৩০ শতাংশ। আমরা জানি, কৃষি যন্ত্রপাতি উৎপাদনে ভারত বিশ্বে শীর্ষে। আমরা বিশ্বাস করি, এটি দুই দেশের জন্য উইন-উইন পরিস্থিতি তৈরি করবে।
এফবিসিসিআই, সিআইআই, ট্রাক্টর অ্যান্ড মেকানাইসেশন অ্যাসোসিয়েশন (টিএমএ) এবং ভারতীয় হাইকমিশনের অংশীদারত্বে আয়োজিত এক্সপো চলবে আগামী ২৭ থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ও ভারতের শতাধিক স্টল রয়েছে। সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রদর্শনী ক্রেতা-দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ