1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে ট্রেজারি বিল-বন্ড থেকে ৩০,১০৭ কোটি টাকা ধার নেবে সরকার ফের আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মেহমুদ হোসেন ব্যবসার প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে ঘাড় ধাক্কা দিতে চাইলেন জামায়াত নেতা আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কারের মনোনয়ন পেল হ্যালোর ৭ শিশু সাংবাদিক বাদ পড়া ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন সোমবার, রাজনৈতিক বৈষম্য হবে না বিশ্বকাপে বাংলাদেশের গ্রুপে ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ আরও যারা আয়ারল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাসের কার্যক্রম শুরু জঙ্গল সলিমপুরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ঘিরে স্থানীয়দের বিক্ষোভ চীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নতুন রেকর্ড বাংলাদেশের

ইন্টারনেটে বিন লাদেনের চিঠি

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৫ মে, ২০১২
  • ১৫০ Time View

আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের ১৭টি চিঠি ইন্টারনেটে প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র সেনা বাহিনীর কমব্যাটিং টেরোরিজম সেন্টার গত বৃহস্পতিবার এসব চিঠি প্রকাশ করে।

চিঠির ভাষায় বুঝা যায়, শেষ সময়ে নিজের সংগঠন অকার্যকর হওয়ার আশঙ্কায় খুব চিন্তিত ছিলেন বিন লাদেন। এছাড়া বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের আস্থা হারানোর ভয়ও ছিল তার। এই মুসলিমদের তাদের সরকার এবং পশ্চিমা শক্তির বিরুদ্ধে উত্তেজিত ও প্রতিরোধী করে তোলার অঙ্গীকার নিয়েই তিনি আল কায়েদা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

ইন্টারনেটে প্রকাশিত মোট ১৭২ পৃষ্ঠার নথিগুলো সব আরবি ভাষায় লেখা। আর এগুলো গত বছরের ২ মে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদের সেই কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার করা ৬ হাজার নথির একটি অংশ। এ কম্পাউন্ডে মার্কিন বিশেষ বাহিনী সিলের অভিযানে নিহত হন আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেন।

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে গ্যারিসন শহর অ্যাবোটাবাদের সেই কম্পাউন্ডের নিরাপত্তা নিয়ে বেশ খুশি এবং নিশ্চিন্তই ছিলেন- প্রকাশিত নথিতে বিন লাদেনের এমন বক্তব্য রয়েছে।

তবে ওসামা বিন লাদেন বা আল কায়েদাকে পাকিস্তান সরকার বা সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান সরাসরি সমর্থন দিত এমন কোনো ইঙ্গিত নথিপত্রগুলোতে পাওয়া যায়নি।

প্রকাশিত চিঠির ভাষায় আরো বুঝা যায়, এই আল কায়েদা নেতা তার সন্ত্রাসাবাদী নেটওয়ার্কের ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। সরকার ও পশ্চিমা শক্তির বিরুদ্ধে চালিয়ে যাওয়া লড়াইয়ে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সমর্থন হারানোর ভয়ে তিনি শঙ্কিত ছিলেন।

নথিগুলোর বরাত দিয়ে আল জাজিরার প্রতিবেদক অ্যালান ফিশার জানিয়েছেন, তথাকথিত আল কায়েদা সহযোগীদের কার্যকলাপ মূল আল কায়েদার সুনাম ক্ষুণ্ন করবে এমন ভয়ে ভীত ছিলেন বিন লাদেন। আল কায়েদা তার হামলায় কোনো মুসলিম নয় বরং মার্কিনিদের প্রাধান্য দিত বলেই বুঝা যায়।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ২ মে বিন লাদেন নিহত হওয়ার পর আল কায়েদার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকটা সংশয় দেখা দিয়েছিল। অনেকে ধারণা করেছিলেন- বিন লাদেনের বিকল্প পাওয়া কঠিন হবে আর তাৎক্ষণিক নেতৃত্ব সঙ্কটের কারণে সংগঠনটি ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

তবে সংগঠনের মধ্যে নেতৃত্ব নিয়ে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব সেভাবে কারো চোখে পড়েনি। বর্তমানে আল কায়েদার প্রধান নেতা আইমান আল জাওয়াহিরি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ