1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার সৌদি আরবে প্রবাসীদের সাদা কাগজে স্বাক্ষর কিংবা টিপসই দেওয়া থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছে দূতাবাস দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা জারি, বন্ধ স্কুল-বিমানবন্দর ও রেল চলাচল বিমানবন্দরে ইরানি অধিনায়ককে আটকে দিল যুক্তরাষ্ট্র টানা ৩ ম্যাচে গোল ভিনির, ইতিহাস বলছে বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিল জাপানে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প মুদি দোকানসহ ১৭ ব্যবসা খাত আসছে ভ্যাটের আওতায় ভিনির নৈপুণ্যে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ব্রাজিল মেসি-এমবাপ্পের রাজকীয় দ্বৈরথ, জমে উঠছে বিশ্বকাপ

শনিবার ডিএনসিসিতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৭
  • ৪৫ Time View

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় আগামী শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৫৪৬ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। সারাদেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন (২য় রাউন্ড) কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বুধবার ডিএনসিসি নগর ভবনে আয়োজিত এক সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়।

সেমিনারে বলা হয়, আগামী ২৩ ডিসেম্বর (শনিবার) ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী সকল শিশুদের ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ডিএনসিসি এলাকায় ২য় রাউন্ডে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সের ৬৮ হাজার ৭৬৯ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৫টি অঞ্চলের আওতাধীন ৩৬টি ওয়ার্ডে জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন (২য় রাউন্ড) পরিচালনা করার জন্য ১ হাজার ৪৯৯টি কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে স্থায়ী কেন্দ্র ৪৯টি। ২ হাজার ৯৯৮ জন স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এছাড়া স্বাস্থ্যকর্মীরা সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা দেখার জন্য প্রথম সারির ১৮৩ জন সুপারভাইজার রয়েছেন। দ্বিতীয় সারির সুপারভাইজার থাকবেন ১০৩ জন।

ক্যাম্পেইনে দায়িত্বে থাকা ডাক্তার মাহমুদা আলী বলেন, ভিটামিন ‘এ’ মানবদেহে তৈরি হয় না। এটা খাওয়ার মাধ্যমে শরীরের চাহিদা মেটায়। ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবে রাতকানা, রক্তশূন্যতা, শারীরিক স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যহত ও ত্বক মলিন হয়ে যায়। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য নীতিমালা অনুযায়ী, বছরে ২ বার ভিটামিন ‘এ’ এর অভাব পূরণে সম্পূরক খাদ্য হিসেবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ