টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে রসুলপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অনিল কুমার দাস (৬৮) ও তার স্ত্রী কল্পনা রানি দাসের (৬০) মরদেহ নিজ বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়।
প্রতিবেশী ও স্বজনরা জানায়, ওই বাড়িতে শুধু স্বামী-স্ত্রীই থাকতেন। অনিল-কল্পনা দম্পতির একমাত্র মেয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। একমাত্র ছেলে ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। বুধবার রাত ৯টার দিকেও প্রতিবেশীরা আনিল ও কল্পনার কথাবার্তা শুনেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে ওই বাড়িতে দুধ বিক্রি করতে গিয়ে দুধ বিক্রেতা দেখেন- দরজা-জানালা খোলা কিন্তু কারও সাড়া শব্দ নেই। বিষয়টি তিনি প্রতিবেশীদের জানান।
২ নং গালা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রাজকুমার সরকার বিষয়টি জানার পর থানায় খবর দেন।
টাঙ্গাইল মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক ভূঁইয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়ে দুইজনের খোঁজে তল্লাশি চালায়। একপর্যায়ে সেপটিক ট্যাংকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ পাওয়া যায়। মরদেহের গলায় রশি দিয়ে ইট বাঁধা ছিল। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এ প্রসঙ্গে অনিল কুমারের ভাই স্বপন সৌমিত্র বলেন, আমার ভাইয়ের কোনো শত্রু ছিল না। কিভাবে কি ঘটে গেল বুঝতে পারছি না।