খুলনা নগরীর কাস্টম ঘাট এলাকা থেকে নৌযান মেরামত কারখানা ও নৌযান প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণ প্রকল্প অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ব্যবসায়ী ও কাস্টমঘাটবাসী।
সোমবার সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত দেড় ঘণ্টাব্যাপী কাস্টম ঘাট এলাকায় এক কিলোমিটার সড়কজুড়ে এ কর্মসূচি চলাকালে সংহতি প্রকাশ করে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকার অবকাঠামোর উন্নয়নের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, সার্বিক নিরাপত্তা ও ব্যবসাবান্ধব সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু কষ্টের বিষয় সরকার এ প্রকল্প বাস্তবায়নে খুলনা নগরীর কাস্টম ঘাট এলাকা বেছে নিয়েছে। আমরা এটিকে এখান থেকে সরিয়ে নেয়ার দাবি জানাচ্ছি।
বক্তারা আরও বলেন, এই বৃহৎ ব্যবসায়ীক অঞ্চলকে কেন্দ্র করে ৩০ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অনেক মুক্তিযোদ্ধা এখানে ব্যবসা-বাণিজ্য করে পরিবার পরিজনের ভরণপোষণ করছেন। কিন্তু ওই প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে এসব ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করা হলে তারা নিঃস্ব হয়ে পড়বে। কাজেই সবার প্রত্যাশা এই বৃহৎ ব্যবসায়ীক অঞ্চলটি ধ্বংস না করে অন্য সুবিধাজনক স্থানে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হোক।
২২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস সত্তার খলিফার সভাতিত্বে সভা পরিচালনা করেন মুক্তিযোদ্ধা মো. শহীদুল ইসলাম ও ২২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মাহবুব কায়সার।
এতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ এস এম মোস্তফা রাশিদী সুজা, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজান, খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির সভাপতি কাজি আমিনুল হক, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, মুক্তিযোদ্ধা মো. ওহিদুজ্জামান, খুলনা চেম্বারের পরিচালক মফিদুল ইসলাম টুটুল, কেসিসি ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা, খুলনা জেলা সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি ইয়াকুব আলী খান পলাশ প্রমুখ।