1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে কারিগরি ত্রুটি: তদন্তে বিমানের ৪ সদস্যের কমিটি কত রান হলে জিততে পারবে বাংলাদেশ জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও বিকল্প অর্থায়নে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যে শিক্ষার্থী ভিসায় আর্থিক সামর্থ্য প্রমাণের শর্ত কঠোর হচ্ছে স্বপ্ন-বঞ্চনার নাটক ‘শুভঙ্কর হাত ধরতে চেয়েছিল’, আসছে শিল্পকলায় মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা বানাতে চান বিপাশা হায়াত, কেন? ২০২৭ সালেই শৈশবের ক্লাবে ফিরছেন মেসি? বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর পুলিশ কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতা নিহতের ঘটনায় পলাতক ট্রাকচালক গ্রেপ্তার সৌদি আরবে নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ আসছে কাল

সাইকেল চালিয়ে বিনামূল্যে চিকিৎসা দিয়ে বেড়ান জহিরন

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৭
  • ১১০ Time View

বয়স ৯৫ বছর। দীর্ঘ ৪৪ বছর ধরে বাইসাইকেল চালিয়ে গ্রামের অসহায় মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছেন তিনি। কিন্তু উদ্যম, সাহস ও কর্মদক্ষতা একটুও কমেনি। অদম্য এই নারীর নামম জহিরন বেওয়া।

জহিরন বেওয়ার বাড়ি লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ভারত সীমান্ত ঘেঁষা তালুক দুলালী গ্রামে। স্বামী সায়েদ আলী মারা গেছেন ১৯৬৮ সালে। এরপর শারীরিক ও মানুষিকভাবে ভেঙে পড়েন জহিরন বেওয়া।

তিন ছেলে আর দুই মেয়ে নিয়ে তার সংসার। আট বছর আগে বড় ছেলে দানেশ আলী ৬৮ বছর বয়সে মারা যান। ছোট ছেলে তোরাব আলীর বয়স ৫৯। সংসারে এই সংগ্রামী নারী এখনো সচল, সজাগ আর কর্মউদ্যমী হয়ে বেঁচে আছেন।

এ বয়সে তার বাড়ির বারান্দায় কিংবা কোনো গাছের ছায়ায় বসে নাতি-নাতনিদের গল্প শোনানোর কথা। কিন্তু তিনি প্রতিদিন ছুটে বেড়াচ্ছেন গ্রামের পর গ্রাম মাইলের পর মাইল। কারো অসুস্থতার সংবাদ পেলেই নাওয়া-খাওয়া ভুলে বাইসাইকেলে চড়ে ছুটে যান সেই রোগীর বাড়িতে চিকিৎসা সেবা দিতে।

সমাজের প্রচলিত রীতিনীতি ভেঙে ১৯৭৩ সালে জহিরন পরিবার পরিকল্পনার অধীনে স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ নেন। পরে চুক্তিভিত্তিক মাসিক মজুরিতে কাজে যোগ দেন। নিজ গ্রামসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে সাইকেল চালিয়ে গ্রামবাসীদের স্বাস্থ্যসেবা দিতেন। ২শ থেকে ৩শ অবশেষে ৫শ টাকা মাসিক মজুরি পেয়ে ১০ বছর চাকরি করে অবসরে যান জহিরন।

johiron

চাকরি বাদ দিলেও অর্জিত অভিজ্ঞতা বাদ দেননি তিনি। তাই বাড়িতে বসে না থেকে আবারো গ্রামবাসীর স্বাস্থ্যসেবায় মনোযোগী হয়ে ওঠেন জহিরন। এখনো কাজ করছেন হাসিমুখে। গ্রামের লোকজনের কাছে তার বেশ সুনাম রয়েছে। কেউ জহিরন দাদি, কেউবা নানি আবার কেউবা জহিরন আপা বলে সম্বোধন করেন তাকে।

ভেলাবাড়ী গ্রামের স্কুলশিক্ষিকা রাবেয়া সুলতানা জানালেন, গেলো ৪৪ বছর ধরে জহিরন বেওয়াকে দেখছি বাইসাইকেল চালিয়ে গ্রামের পর গ্রাম মাইলের পর মাইল ঘুরে ঘুরে গ্রামের অসহায় মানুষগুলোকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছেন।

কথা হলে জহিরন বেওয়া বলেন, আমি শুধু জ্বর, মাথা ব্যথা, বমি, শারীরিক দুর্বলতার মত সাধারণ রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকি। এজন্য আমাকে কোনো টাকা দিতে হয় না। তবে আমি বাজারমূল্যে তাদের কাছে ওষুধ বিক্রি করি। এতে প্রতিদিন গড়ে দেড়শ টাকা আয় হয়।

তিনি বলেন, আদিতমারী উপজেলার ৩০টি গ্রামে দু’হাজারের বেশি পরিবারের সঙ্গে রয়েছে আমার নিবিড় যোগাযোগ। আমি প্রতিদিন সাইকেল চালিয়ে কমপক্ষে ৭টি গ্রামে ৭০টি বাড়িতে যাই। তাদের খোঁজখবর নিই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ