1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৬১৭৪ বাংলাদেশি, মারা গেছেন ৫৫ দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর যেসব সড়ক এড়িয়ে চলবেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট সমাধানের আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর ফোনের অ্যালার্ট কীভাবে ভূমিকম্পের কয়েক সেকেন্ড আগে লাখ লাখ মানুষকে সতর্ক করে ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫, আহত ৪৩০০ ছাড়াল নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব না দেওয়ায় এনসিপিসহ সাত দলকে শোকজ চীনের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী সেনাপ্রধানের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার

মস্কোর বহুতল ভবনে আগুন

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৪ এপ্রিল, ২০১২
  • ১২৩ Time View

সোমবার রাতে এক বহুতল ভবনের শীর্ষে আগুনের তাণ্ডব নৃত্য প্রত্যক্ষ করলো মস্কোবাসী। রাতের মস্কো আলোকিত হলো আগুনের লেলিহান শিখায়।

সোমবার রাতে মস্কোর বহুতল ফেডারেশন টাওয়ার ভবনে আগুন লাগে। নির্মাণাধীন এই ভবনটিকে ইউরোপের সবচেয়ে উঁচু ভবন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কয়েক ঘণ্টা ধরে আগুন জ্বললেও এখনো কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

মস্কোর পূর্বাংশে অবস্থিত এই ভবন থেকে উদগীড়িত আগুন আর ধোঁয়া দেখা যায় মস্কোর বিস্তৃত এলাকা থেকে । আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য ডাকা হয় জরুরি বিভাগ কর্মীদের। আনা হয় বেশ কয়েকটি বিশেষ অগ্নি নির্বাপক হেলিকপ্টার। হেলিকপ্টারগুলো থেকে টন টন পানি ফেলার পাশাপাশি ছড়ানো হয় অগ্নি প্রতিরোধক রাসায়নিক পদার্থ।

অবশেষে স্থানীয় সময় রাত সাড়ে আটটা নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানায় রাশিয়ার জরুরি বিভাগ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আগুন লেগেছিলো এর আরো তিন ঘণ্টা আগে।

মাটি থেকে ২৫০ মিটার উচ্চতায় ভবনটিতে কি ভাবে লাগলো তার কারণ এখনো অনুসন্ধান করছে কর্তৃপক্ষ। ধারণা করা হচ্ছে ভবনটির নির্মাণাধীন ৬৫ তলা থেকে ৬৭ তলা পর্যন্ত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

ক্রেমলিন থেকে দেড় মাইল পশ্চিমে মস্কো নদীর তীরে অবস্থিত এই টাওয়ারটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে এটি হবে ইউরোপের সবচেয়ে উঁচু ভবন। কাচে ঘেরা টাওয়ারটির উচ্চতা গিয়ে দাঁড়াবে ৩৬০ মিটারে।

ভবনটির আগুন নেভাতে গিয়ে বিপত্তিতে পড়তে হয় অগ্নি নির্বাপকদের । আগুনের কারণে ভবনের সব এলিভেটর বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ভবনটিতে তাদের উঠতে হয় বেয়ে বেয়ে।

মস্কোর অধিবাসীরা এর আগেও বহুতল ভবনে লাগা আগুন প্রত্যক্ষ করেছিলো ২০০০ সালে। ওই বছরের আগস্টে মস্কোর ৫৪০ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট ওসতানকিনো সম্প্রচার টাওয়ারে আগুন লাগে। টাওয়ারটিকে সে সময় বিবেচনা করা হতো পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু মুক্তকাঠামোর বা ( ফ্রি স্টান্ডিং) স্থাপনা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ