1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা জানা গেল আজ সংসদের বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক শাহ আমানতে আরো ৭ ফ্লাইট বাতিল, দুর্ভোগে যাত্রীরা আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার পথে প্রাণ গেল বাবা-ছেলে-নাতনির ফেনী-৩ আসনের সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী আটক কলম্বিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬৬ শান্তি ফেরাতে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার প্রস্তাব, যা বলছে ইরান অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব উত্থাপন বিশ্বজুড়ে থাকা আমেরিকানদের জন্য একটি হালনাগাদ সতর্কবার্তা জারি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে সাতক্ষীরায় সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন

স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৬
  • ১২৩ Time View

53চট্টগ্রামে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী সাবের আলীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মীর রহুল আমিন এ দণ্ডাদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সাবের আলী পলাতক রয়েছেন।

মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সাবের আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী মনোয়ারা বেগম এবং নিকটাত্মীয় জামাল হোসেনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। বিশেষ জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, নগরীর পাঁচলাইশ থানার হিলভিউ হাউজিং সোসাইটিতে জজ সাহেবের বাসায় থাকত সাবের আলী ও তার স্ত্রী আরজু বেগম। মনোয়ারা বেগমকে বিয়ে করা নিয়ে সাবের ও আরজুর মধ্যে মনোমালিন্য হয়।

১৯৯৪ সালের (০১ অক্টোবর) বাসা থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ দূরে ঝুলন্ত অবস্থায় আরজু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় পুলিশ আরজু আত্মহত্যা করেছে বলে তথ্য পায়।

ঘটনার ৮দিন পর (০৯ অক্টোবর) আরজুর বাবা নাজির হোসেন স্বামী সাবেরসহ তিনজনকে আসামি করে পাঁচলাইশ থানায় একটি মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, তিনজন মিলে আরজুকে শ্বাসরোধ করে খুন করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখে।

পাঁচলাইশ থানা পুলিশের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) জয়নাল আবেদিন তদন্ত শেষে ১৯৯৫ সালের ১২ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

১৯৯৭ সালের ২২ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলায় মোট ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেয়া হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ