1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল দেশীয় অর্থায়নে দ্রুত বাস্তবায়ন হবে ‘তিস্তা মেগা প্রকল্প’: পানিসম্পদমন্ত্রী জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : মৎস্য প্রতিমন্ত্রী ফল উৎসবের পেছনে আছে সুদূরপ্রসারী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দর্শন: তথ্যমন্ত্রী পাবলিক পরীক্ষা আইনে ডিজিটাল নকলের সাজা যুক্ত করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী বাবার ‌‘পিট’ কেটে মায়ের সঙ্গে সন্তানরা, আইনি লড়াই শেষে স্বস্তিতে জোলি দেশি বিনিয়োগেই ভরসা খুঁজছে বিডা দেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল যেখানে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের মাত্রা ৪০ শতাংশ করবে ভারত

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৫
  • ১৬৭ Time View

২০৩০ সালের মধ্যেই ভারত কার্বন নির্গমনের মাত্রা কমাবে বলে ঘোষণা করেছে ভারতের a5sdhajskdl';পরিবেশমন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর। সম্প্রতি জার্মানির বনে জাতিসংঘের কাছে নির্গমনের মাত্রা ২০০৫ সালের তুলনায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয়মন্ত্রী।
গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমনের নিরিখে ভারতের অবস্থান তৃতীয়। গ্রিন হাউজ গ্যাস কমানোর জন্য প্রায় দু’কোটি ৫০ হাজার পাউন্ড ব্যয় করার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এর জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের মাত্রা ৪০ শতাংশ করার কথা ভেবেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
আগামী ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘের ডাকে প্যারিসে আন্তর্জাতিক সম্মেলন বসতে চলেছে। সেই সম্মেলন জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে নিজেদের নীতি নির্ধারণ করবে বিশ্বের উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলো। বৈঠকের আগেই জাভড়েকরের ঘোষণা তাই নিঃসন্দেহে উল্লেখযোগ্য।
গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করে লাভ নেই। বরং বিশ্ব উষ্ণায়নের মোকাবিলায় সংঘবদ্ধ হয়ে লড়তে গেলে আন্তর্জাতিক চুক্তির পরিভাষা বদলাতে হবে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ সভায় একটি বিতর্কে অংশ নিয়ে বলেছেন, ‘কার্বন-ডাই-অক্সাইড-সহ গ্রিন হাউজ গ্যাসগুলো নির্গমনের জন্যই মূলত জলবায়ুতে পরিবর্তন আসছে। সেই নির্গমনের পরিমাণ সব দেশকেই মোটামুটি সম-পরিমাণে কমানোর কথা জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তিপত্রে বলা হয়েছে। ভারতের মতো দেশে কার্বনের মাথাপিছু নির্গমনের যা পরিমাণ, আমেরিকা, চিন বা বিশ্বের উন্নত দেশগুলিতে নির্গমনের পরিমাণ তার চেয়ে আরও বেশি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ