1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল ভুবন ভোলানো হাসির তাহসিন হত্যাচেষ্টার মামলায় সাবেক উপাচার্য কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন, শুনানি কাল পেপল ও পেওনিয়ারের মতো বিদেশি লেনদেন সেবা চালুর পথ খুলল বগুড়ায় চালু হচ্ছে পাইলট ট্রেনিং একাডেমি, জানালেন বেসামরিক বিমান প্রতিমন্ত্রী পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে টেন্ডারে জুড়ে দেওয়া হয় বিশেষ শর্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২০২৭ সালের মধ্যে ইউএস-বাংলার বহরে আসছে বোয়িংয়ের ২১টি নতুন উড়োজাহাজ স্থানীয় নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার দাবি জামায়াতের চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ডেভিড ইমন’ যশোর থেকে গ্রেফতার ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০৩ শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

আজ বঙ্গবন্ধুর ৯২তম জন্মদিন

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৭ মার্চ, ২০১২
  • ২৬২ Time View

১৭ মার্চ, ১৯২০ সাল বাঙালি জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন। এই দিনে শেখ মুজিব শান্তি ও মুক্তির বারতা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর সাহসী, দৃঢ়চেতা, আপোষহীন নেতৃত্ব ও বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামে অনুপ্রাণিত হয়ে জেগে ওঠেছিল যুগ যুগ ধরে নিপীড়িত-নির্যাতিত পরাধীন একটি জাতি। দেশের মানুষকে স্বাধীনতা ও মুক্তির অদম্য স্পৃহায় ঐক্যের দুর্গ গড়ে তুলেছিলেন শেখ মুজিব।

পরাধীনতার শৃঙ্খল মোচনে তিনি বাঙালি জাতিকে মুক্তির সংগ্রামে উজ্জীবিত করে ধাপে ধাপে এগিয়ে নিয়ে গেছেন স্বাধীনতার লক্ষ্যে। ’৫২ এর ভাষা আন্দোলন ’৬২ শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬’র ৬ দফা, ’৬৯-এর মহান গণঅভ্যুত্থানের পথ পেরিয়ে ’৭০-এর ঐতিহাসিক নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় সবই বাঙালি জাতির গৌরবোজ্জ্বল সংগ্রামী ইতিহাসের এক একটি মাইলফলক। আর এই সংগ্রামের উৎস ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।

আন্দোলন-সংগ্রামের সিঁড়ি বেয়ে গোপালগঞ্জের শেখ মুজিব হয়ে উঠেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা, ভূষিত হন বঙ্গবন্ধু উপাধিতে।

তাঁর বজ্রকণ্ঠ ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বাঙালি জনগোষ্ঠীকে স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত মরনপণ সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে শক্তি ও সাহস যুগিয়েছিল।

এর জন্য জীবনে তিনি জেল-জুলুম-হুলিয়া, অত্যাচার-নির্যাতন কোনো কিছুই পরোয়া করেননি। শত যন্ত্রণা, দুঃখ, কষ্ট-বেদনাকে তিনি সহ্য করেছেন। ফাঁসির মঞ্চও যাঁর কাছে ছিল তুচ্ছ। তিনি পরোয়া করেননি মৃত্যুকেও।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালোরাতে পাকহানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির উপর নির্বিচারে গণহত্যা চালানোর অব্যবহিত পর বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান-আদিবাসী-উপজাতি তথা ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-শ্রেণী নির্বিশেষে সমগ্র বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মদান ও ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধের বিজয় ছিনিয়ে আনেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধের বিজয় লাভের পর পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তি লাভ করেন ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি। স্বদেশ ভূমিতে ফিরে এসে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনগর্ঠন ও পুনর্বাসনের পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনায় আত্মনিয়োগ করেন।

স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশে মাত্র সাড়ে তিন বছর বেঁচে ছিলেন। মানবতার শত্রু ঘৃণ্য ঘাতকের দল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁকে নির্মমভাবে সপরিবারে হত্যা করে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ