1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
খেলাপি ঋণ থেকে সাইবার ঝুঁকি, নিরাপত্তা জোরদারে ১২৭৬ কোটি টাকার উদ্যোগ সন্ত্রাস দমনে প্রচলিত আইনকে আরও শক্তিশালী করা হবে : আইনমন্ত্রী ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার অপ্রত্যাশিত রেকর্ড গড়ে হারল বাংলাদেশ ‘বড় নেতারা আরামে বিদেশে ঘুরছেন, বিচার হলে আপনার পরিবারই সাফার করবে’ আবারও এশিয়া কাপের ট্রফি না নেওয়ার কারণ জানাল বিসিসিআই মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংকের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ব্যাংক এমডিদের মূল্যায়নে স্কোরিং পদ্ধতি, ৬ মাস পরপর প্রতিবেদন হামের টিকা পেয়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১০% বেশি শিশু রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার সিলেট সফরে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল

আজ বঙ্গবন্ধুর ৯২তম জন্মদিন

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৭ মার্চ, ২০১২
  • ২৮২ Time View

১৭ মার্চ, ১৯২০ সাল বাঙালি জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন। এই দিনে শেখ মুজিব শান্তি ও মুক্তির বারতা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর সাহসী, দৃঢ়চেতা, আপোষহীন নেতৃত্ব ও বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামে অনুপ্রাণিত হয়ে জেগে ওঠেছিল যুগ যুগ ধরে নিপীড়িত-নির্যাতিত পরাধীন একটি জাতি। দেশের মানুষকে স্বাধীনতা ও মুক্তির অদম্য স্পৃহায় ঐক্যের দুর্গ গড়ে তুলেছিলেন শেখ মুজিব।

পরাধীনতার শৃঙ্খল মোচনে তিনি বাঙালি জাতিকে মুক্তির সংগ্রামে উজ্জীবিত করে ধাপে ধাপে এগিয়ে নিয়ে গেছেন স্বাধীনতার লক্ষ্যে। ’৫২ এর ভাষা আন্দোলন ’৬২ শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬’র ৬ দফা, ’৬৯-এর মহান গণঅভ্যুত্থানের পথ পেরিয়ে ’৭০-এর ঐতিহাসিক নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় সবই বাঙালি জাতির গৌরবোজ্জ্বল সংগ্রামী ইতিহাসের এক একটি মাইলফলক। আর এই সংগ্রামের উৎস ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।

আন্দোলন-সংগ্রামের সিঁড়ি বেয়ে গোপালগঞ্জের শেখ মুজিব হয়ে উঠেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা, ভূষিত হন বঙ্গবন্ধু উপাধিতে।

তাঁর বজ্রকণ্ঠ ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বাঙালি জনগোষ্ঠীকে স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত মরনপণ সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে শক্তি ও সাহস যুগিয়েছিল।

এর জন্য জীবনে তিনি জেল-জুলুম-হুলিয়া, অত্যাচার-নির্যাতন কোনো কিছুই পরোয়া করেননি। শত যন্ত্রণা, দুঃখ, কষ্ট-বেদনাকে তিনি সহ্য করেছেন। ফাঁসির মঞ্চও যাঁর কাছে ছিল তুচ্ছ। তিনি পরোয়া করেননি মৃত্যুকেও।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালোরাতে পাকহানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির উপর নির্বিচারে গণহত্যা চালানোর অব্যবহিত পর বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান-আদিবাসী-উপজাতি তথা ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-শ্রেণী নির্বিশেষে সমগ্র বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মদান ও ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধের বিজয় ছিনিয়ে আনেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধের বিজয় লাভের পর পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তি লাভ করেন ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি। স্বদেশ ভূমিতে ফিরে এসে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনগর্ঠন ও পুনর্বাসনের পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনায় আত্মনিয়োগ করেন।

স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশে মাত্র সাড়ে তিন বছর বেঁচে ছিলেন। মানবতার শত্রু ঘৃণ্য ঘাতকের দল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁকে নির্মমভাবে সপরিবারে হত্যা করে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ