1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
খামেনিকে মাশহাদে দাফন করা হবে: ইরানি গণমাধ্যম এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার হলেন খামেনির ছেলে মোজতবা ধানের শীষে ভোট দিতে চাওয়া ‘সেই’ অসুস্থ বৃদ্ধার পাশে প্রধানমন্ত্রী এবার মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ইরানের শাহেদ-১৩৬ ড্রোন ই’রা’নে হা ম লা র জন্য ঘাঁটি ব্যবহার করতে না দেওয়ায় স্পেনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ ট্রাম্পের তারেক রহমানের প্রেস উইংয়ে যুক্ত হলেন ড. ইউনূসের সহকারী প্রেস সচিব দুবাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেট ভবনে ড্রো’ন হা ম লা ট্রেনে ঈদ যাত্রা: আজ মিলছে ১৪ মার্চের টিকিট ২ ঘণ্টা পর এনসিপির অবরুদ্ধ এমপিকে উদ্ধার

মিসরে ফুটবল ম্যাসাকার: ৭৫ জন অভিযুক্ত

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৬ মার্চ, ২০১২
  • ১৫৩ Time View

মিসরে ফুটবল মাঠে দাঙ্গা ও হত্যাকাণ্ডের জন্য পোর্ট সাইদের নিরাপত্তা প্রধানসহ মোট ৭৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে দেশটির সরকার।

গত ১ ফেব্রুয়ারি মিসরের উপকূলীয় শহর পোর্ট সাইদে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট দাঙ্গা খেলোয়ারসহ মোট ৭৪ জন নিহত হয়।

বৃহস্পতিবার ওই ঘটনায় জড়িত থাকার জন্য দেশটির প্রসিকিউটর জেনারেল ৭৫ জনকে ফৌজদারি আদালতে নেওয়ার নির্দেশ দেন।

অভিযুক্তদের মধ্যে পোর্ট সাইদ শহর নিরাপত্তা প্রধান মেজর জেনারেল ইসাম সামাকসহ ৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার মিসরের প্রসিকিউটর জেনারেলের অফিস জানিয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফেব্রুয়ারির সেই দাঙ্গার ভিডিও ফুটেজ দেখেই ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে। তারা এই হত্যাকাণ্ডকে পরিকল্পিত হিসেবে মন্তব্য করে বলেছে, দুস্কৃতিকারীরা এরজন্য আগে থেকেই ছুরি, পাথর এবং বিস্ফোরক নিয়ে প্রস্তুত হয়ে ছিলো।

ফেব্রুয়ারির ওই দাঙ্গার ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কায়রোর আল-আহালি এবং পোর্ট সাইদের স্থানীয় দল আল-মাসরির মধ্যকার খেলার শেষ বাঁশি বাজার সাথে সাথে মাঠে সংঘর্ষ শুরু হয়। স্থানীয় দলটি সফরকারীদের ৩-১ গোলে হারানোর পরই আল-মাসরি সমর্থকরা কায়রোর দলটির উপর হামলা করে। তারা আল-আহালি সমর্থকদের ওপর পাথর, বোতলসহ বিভিন্ন জিনিষ ঢিল মারতে শুরু করলে মাঠজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

অনেক প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এই দাঙ্গা আধ ঘণ্টা ধরে চল্লেও মাঠে থাকা কোন পুলিশ রক্তপাত থামাতে কোন ব্যাবস্থা নেয়নি।

উল্লেখ্য, এই সংঘর্ষের জেরে পরের কয়েকদিন কায়রোতে বিক্ষোভে আরো ১৬ জন নিহত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ