1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘২৮ অক্টোবর জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করতে বিএনপির একটি অংশ অবশ্যই জড়িত ছিল’ শ্রম আইন বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস জার্মানির বিলুপ্ত ফুটি কার্পাস পুনরুদ্ধার, ১৭০ বছর পর বিশ্ববাজারে ফিরছে ঢাকাই মসলিন বিপিজেএ খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত আরও এক বছর অর্থ সচিব থাকছেন খায়েরুজ্জামান সাভারে যমুনা ব্যাংকের উপশাখা উদ্বোধন বাংলাদেশ-স্পেন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ জোরদারে গুরুত্ব আরোপ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর চিত্রনাট্যে ছিল না, কিন্তু সাহসী দৃশ্যে রাজি ছিলেন রেখা-অক্ষয় নেতানিয়াহুর থাকা না থাকায় বিশ্বে কী প্রভাব পড়বে? আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা শুরু ২৯ অক্টোবর, থাকবে ২০টির বেশি দেশ

গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে বিপাকে সরকার

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
  • ১৩৮ Time View

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠানে অপরাগতা প্রকাশ করার পর, বিপাকে পড়েছে সরকার৷ তাই ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন বিধিমালায় আবারো পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে৷

মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত জানান, গ্রামীণ ব্যাংকের নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালায় পরিবর্তন করা হবে৷ বিধিমালায় বর্তমানে গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালক নির্বাচনের দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের৷ ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিবর্তে অন্য কাউকে এই দায়িত্ব দেয়া হবে৷image_96784_0

অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রামীণ ব্যাংকের নির্বাচন করতে চায় না৷ নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে তারা এটা করতে পারে না৷”

প্রসঙ্গ, গত ৬ এপ্রিল গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালক নির্বাচনের বিধিমালা জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ৷ বিধিমালায় বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয় ছয় মাস৷ সে হিসাবে নির্বাচনের সময় শেষ হচ্ছে আগামী ৫ অক্টোবর৷বিধিমালা জারির পর গত মাসে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে তাগিদ দেয়া হয়৷ এরপরই অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সচিবালয়ে গিয়ে দেখা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবস্থান জানিয়ে দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান৷ কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জানানো হয়, ‘‘শুধু গ্রামীণ ব্যাংক নয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনো ব্যাংকেরই পরিচালক নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে চায় না৷”

আদালতের রায় মেনে ২০১১ সালের মে মাসে ড. মুহম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক থেকে চলে যাওয়ার পর এখনো গ্রামীণ ব্যাংকে এমডি নিয়োগ দিতে পারেনি সরকার৷ বরং ভারপ্রাপ্ত এমডি দিয়ে চলছে গ্রামীণ ব্যাংকই৷ প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এমডি নিয়োগ দিয়ে আসছিল৷ পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হয়৷ ১৩ সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের নয়জনই ঋণগ্রহীতা সদস্য৷ বাকি চারজন সরকার মনোনীত সদস্য৷ ঋণগ্রহীতা সদস্যরা মাঠপর্যায়ে নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হন এবং সবাই ড. ইউনূসের সমর্থক বলে পরিচিত৷ এর ফলে সরকার নিজের পছন্দের এমডি নিয়োগ দিতে পারছিল না৷ এর পরেই ২০১২ সালের আগস্টে গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ সংশোধন করা হয়৷ সংশোধনীতে পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে এমডি নিয়োগের বাছাই কমিটি গঠনের একক ক্ষমতা দেয়া হয় চেয়ারম্যানকে৷কিন্তু পরের দুই বছরে ঋণগ্রহীতা নারী পর্ষদ সদস্যদের আপত্তিতে এমডি নিয়োগের বাছাই কমিটিও গঠন করা সম্ভব হয়নি৷ বেশ কয়েকটি পর্ষদ সভায় গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান একতরফাভাবে বাছাই কমিটি পাস করার চেষ্টাও করেও সফল হননি৷ অন্যদিকে নারী পর্ষদ সদস্যরা চেয়েছিলেন, বাছাই কমিটির প্রধান যেন ড. ইউনূসকে করা হয়৷

শেষ পর্যন্ত এমডি নিয়োগে সফল না হতে পেরে পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন বিধিমালাই পরিবর্তন করা হয় গত এপ্রিলে৷ আর নতুন বিধিমালায় নির্বাচনের দায়িত্ব দেয়া হয় বাংলাদেশ ব্যাংককে৷ এখন বাংলাদেশ ব্যাংকও সেই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছে৷

প্রসঙ্গত, বর্তমানে গ্রামীণ ব্যাংকের দুই হাজার ৫৬৭টি শাখা, ২৬৬টি এলাকা এবং ৪০টি অঞ্চল রয়েছে৷ প্রতিটি শাখায় গড়ে ৫৬টি করে কেন্দ্র আছে৷ ব্যাংকের মোট কেন্দ্রের সংখ্যা এক লাখ ৪৩ হাজার ৬৫৷ এছাড়া ব্যাংকের মোট সদস্য ৮৬ লাখের ওপরে, যাদের ৯৫ ভাগই নারী৷ সূত্র: ডিডব্লিউ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ