1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সিরাজগঞ্জে ১০৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১১৩৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার জেলা প্রশাসনের সম্মতি না মেলায় বৃহস্পতিবারও সেন্টমার্টিন যাচ্ছে না পর্যটকবাহী জাহাজ নবজাতকের মৃত্যু: সিলেটে মাউন্ট এডোরার ‘মেন্টারনিটি কেয়ার ইউনিট’ বন্ধের নির্দেশ মেয়েদের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড, প্রায় ১০ কোটি ডলারের অর্থনৈতিক প্রভাব ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৫৭ ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর ঝুঁকি, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২৯ বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা আরও গভীর করতে চীনের অঙ্গীকার: চীনা মন্ত্রী রিজার্ভ থেকে ১২০ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় বিএনপি: রিজভী আদনানের প্রথম সিনেমার নায়িকা মেহজাবীন, নায়ক নিশো ভারতের বিপক্ষে ‘স্পেশাল ম‍্যাচ’ রাঙিয়ে রাখতে উন্মুখ পাকিস্তান

১৩ বছরের ছাত্রীকে বিয়ে স্কুল চেয়ারম্যানের

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০১৪
  • ১০৫ Time View

লালমনিরহাট জেলায় পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে জোর করে বিয়ে করার অভিযোগে ওই স্কুলের পরিচালনা কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে ।

স্কুল কমিটির সভাপতি আব্দুর রহিমসহ মোট তিনজনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলাটি করেছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ।image_93982_0

অভিযুক্ত মি. রহিমকে স্কুল কমিটি থেকেও বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

একটি নাবালিকা শিশুকে তারই স্কুলের সভাপতির জোর করের বিয়ের এই ঘটনা ফাঁস হয়ে শহরে তোলপাড় শুরু হলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে উদ্যোগ নেয় স্থানীয় সরকার প্রশাসন।

তবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে মোগলহাটা গ্রামের খারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী রাশিদা খাতুনকে স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম জুন মাসের শেষের দিকে শহরে নিয়ে জোর করে বিয়ে করেন।

সেখানে তার বয়স এফিডেবিট করে ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়।

কিন্তু স্কুলে ভর্তির কাগজপত্রের সময় দেয়া জন্ম নিবন্ধন সনদে রাশিদা খাতুনের জন্ম তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ২০০০ সালের ২৩ ডিসেম্বর। সে হিসেবে তার বয়স তেরও বছরের কিছু বেশি।

লালমনিরহাট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নবেজ উদ্দিন সরকার বলেন, মাসখানের আগেই তিনি এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে স্কুল কর্তৃপক্ষ ছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদ এবং পুলিশকে লিখেছিলেন।

তবে মামলা হয়েছে সবে আজ (সোমবার)।

ঘটনার এতদিন পরে আইনি উদ্যোগ কেন ? জানতে চাইলে পুলিশ সুপার টিএম মুজাহিদুল ইসলাম বিবিসিকে বলেন, বিয়ে একবার হয়ে গেলে অভিযোগ না আসা পর্যন্ত আইনগত ভাবে তারা কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেন না।

জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বলেন যৌতুকপ্রবণ এলাকা হওয়াতে উত্তরাঞ্চলে এ ধরণের বাল্যবিবাহ প্রায়ই ঘটতে দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, ভোটের কথা চিন্তা করে ইউনিয়ন পরিষদগুলো অনেক সময় ঘটনা জানলেও চেপে যায়।

বাংলাদেশে ১৮ বছরের নিচে কোনো নারীর বিয়েই আইনসিদ্ধ নয়। তারপরও এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। ইউনিসেফের তথ্যমতে, বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে তিন নম্বরে।

বাংলাদেশে বাল্য বিবাহ বিরোধী আইনে অপরাধ প্রমাণিত হলে, এক হাজার টাকা জরিমানা এবং এক মাসের কারাবাসের বিধান রয়েছে।
তবে মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব তারিক ইসলাম জানান বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন কঠোরতর করার পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এক মাসের জায়গায় তিনমাসের কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকার বদলে জরিমানার পরিমাণ ৫০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সংশোধিত আইনের খসড়াটি আগামী মাসে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।– বিবিসি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ