1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে আইএফআইসি-সুইসকন্ট্যাক্টের নতুন উদ্যোগ ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যানেজমেন্ট চালু হচ্ছে কবে, জানালেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ | Boishakhi Online জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে ১৬তম বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াড মিডল্যান্ড ব্যাংকের ১৭তম শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বরিশাল বোর্ডে ১১ প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস, কমেছে জিপিএ-৫ নিয়ম অনুযায়ী সিলেট টেস্টে মুমিনুল ভাই খেলতে পারবেন না: শান্ত বাংলাদেশকে ৪৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক, আছে যে শর্ত ভারতের নিচে নেমে গেল বাংলাদেশ, শান্তর চোখে ‘ফাইনাল কঠিন’ মেঘনা ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন, কুপন রেট ১২.০৫ শতাংশ

শীতকালীন সবজির চারা উৎপাদন করে কোটি টাকার বাণিজ্য

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৪ Time View

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতকালীন সবজির চারা উৎপাদন ও বিক্রি করে কোটি টাকার বাণিজ্য হচ্ছে। শীত মৌসুমকে সামনে রেখে জেলার কৃষকরা বাণিজ্যিকভাবে নানান জাতের সবজির চারা উৎপাদন করছেন। এই চারা বিক্রি করে তারা সবজি মৌসুমের আগেই ভালো আয় করতে পারছেন।

কৃষি বিভাগ জানায়, স্থানীয় কৃষকরা নিজেদের উদ্যোগে বীজতলা তৈরি করে নানারকম সবজির চারা উৎপাদন করেন। এ বছর চলতি মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রায় কোটি টাকার শীতকালীন সবজির চারা বিক্রি হবে। এবার চারা উৎপাদন ভালো হওয়ায় খুশি চারা উৎপাদকারীরা। কৃষক সরাসরি এসব চারা বীজতলা থেকে ক্রয় করে নিয়ে জমিতে আবাদ করেন।

সূত্র জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার বেহাইর গ্রামের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে বীজতলা থেকে উৎপাদন হচ্ছে নানা জাতের শীতকালীন সবজির চারা। আর্থিক সচ্ছলতা ও সবজির চাহিদা মেটাতে প্রতিবছরের ভাদ্র থেকে মাঘ মাস পর্যন্ত চলে এই কর্মযজ্ঞ।

শীত মৌসুমকে সামনে রেখে সদর উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে ৪০ হেক্টর জমিতে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি, টমেটো, বেগুন, লাউ, মরিচসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের বীজতলা থেকে চারা করা হয়েছে। গুণগত মান ও ফলন ভালো হওয়ায় জেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কৃষকরা গিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে চারা কিনে নিয়ে সবজির আবাদ করেন।

চারা উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রকারভেদে টমেটোর এক হাজার পিস চারা ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা, ফুলকপির এক হাজার চারা ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা, এক হাজার মরিচের চারা ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা, এক হাজার বেগুনের চারা ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা, বাঁধাকপির এক হাজার চারা ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা, লাউয়ের এক হাজার চারা ২০০০০ টাকা এবং এক হাজার ব্রকলির চারা ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চারা উৎপাদনকারী ওয়াসিম মিয়া বলেন, ‘আমরা শীত মৌসুমকে সামনে রেখে চারা উৎপাদন করি। এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় চারার মানও ভালো হয়েছে। আশা করছি চারার দামও ভালো পাবো।’

ভালো মানের চারা পেয়ে খুশি ক্রেতারাও। কৃষক আবদুল লতিফ বলেন, প্রতি বছর এসময়ে আমরা এই এলাকা থেকে চারা ক্রয় করে জমিতে রোপণ করি। দেশীয় পদ্ধতিতে চারা রোপণ ও বীজতলা করায় সবজির ফলন ভালো হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজেরা বেগম বলেন, প্রতি মৌসুমে প্রায় কোটি টাকারও বেশি চারা ক্রয়-বিক্রয় হয়। চারা উৎপাদনের প্রসার ও কৃষকদের দক্ষতা বাড়াতে কৃষি বিভাগ নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কৃষকদের ঋণ দিয়ে সহযোগিতা করা হবে। সূত্র: বাসস

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ