সাদমান ইসলামের সঙ্গে জমে ওঠা জুটিটা বড় হচ্ছিল তাওহিদ হৃদয়ের। ফিফটির কাছে ছিলেন তিনি। তবে অসময়ে তাকে থামতে হলো। কোনো বোলার নন, হৃদয় থামলেন পেশির টানে। ৪২ রানে আহত হয়ে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে গেছেন ডানহাতি ব্যাটার।
মাঠ ছাড়ার আগে নন-স্ট্রাইকিং প্রান্তেই অস্বস্তি অনুভব করছিলেন হৃদয়। পরে একটি স্কয়ার কাট করতে গিয়ে সমস্যা হলো অনেক। তীব্র ব্যথা নিয়ে শুয়ে পড়লেন মাঠে। পরে তাকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাওয়া হলো বাইরে।
এই সময় ৬৬ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ১৯৮ রান। হৃদয় একাদশে এসেছিলেন মুশফিকুর রহিমের চোটে। এবার তিনি নিজেও পড়ে গেলেন চোটে।
হৃদয় বেরিয়ে যাওয়ার পর ক্রিজে আসেন লিটন দাস। সেঞ্চুরির কাছে (৯৬) থাকা সাদমান ইসলামকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন তিনি। ৭০ ওভারে ২০৭ রান হওয়ার পর আলো কম থাকায় আম্পায়াররা খেলা বন্ধ রাখেন। যদিও খালি চোখে বেশ আলোই দেখা যাচ্ছে। এমনকি রোদের দেখাও আছে এখনো।