1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন

খুলনা পূবালী ব্যাংকের ২৩ কোটি টাকা লোপাট

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১২
  • ১২৬ Time View

পূবালী ব্যাংক লিমিটেডের খুলনার আপার যশোর রোড শাখা এসএমই (ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প) ঋণের প্রায় ২৩ কোটি টাকা কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার সহায়তায় লোপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অভিযোগে ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাসসহ পাঁচ কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ ও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অনুসন্ধানীতে জানা যায়, পূবালী ব্যাংক খুলনার আপার যশোর রোড শাখায় গত কয়েক বছর ধরে এসএমই ঋণ প্রদানে অনিয়ম ধরা পড়ে। এসএমই ঋণ সাধারণত দেওয়া হতো বাংলদেশ ব্যাংকের ফান্ড হতে। সাধারণ ব্যাংকের সুদের চেয়ে এসএমই ঋণে সুদের হার কম এবং অনেকটা সহজ প্রক্রিয়া।

ব্যাংকের বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, খুলনার আপার যশোর রোড শাখা পূবালী ব্যাংকের অসাধু কর্মকর্তারা দুই হাজার ভুয়া গ্রাহক দেখিয়ে এই এসএমই ঋণ বিতরণ দেখায়। এসএমই ঋণ কোনো বছর তিন লাখ ২৫ হাজার আবার আরেক সময় দুই লাখ করে দেওয়া হয়েছে। ভুয়া স্বাক্ষর, ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ব্যাংক কর্মকর্তারাই এই টাকা আত্মসাৎ করেছেন। প্রধান কার্যালয়ের কাছে বিষয়টি প্রাথমিকভাবে ধরা পড়ার পর গত ২০ নভেম্বর পূবালী ব্যাংক খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস, উর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিগার সুলতানাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে ঢাকায় প্রধান কার্যালয়ে নিয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।

একই অভিযোগে এই শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার ও এজিএম শেখ ইমামুল হক, এসপিও শেখ বেলাল হোসেন ও এসপিও শেখ আব্দুল গনিকে ২০ নভেম্বর থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

ঘটনার তদন্তে প্রধান কার্যালয় থেকে মাসুদ হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের দল কাজ শুরু করেছে। গত সপ্তাহ থেকে এই তদন্ত দল ব্যাংকের বিভিন্ন কাগজপত্র পরীক্ষা করছেন।

হলমার্ক কেলেংকারীর পর খুলনায় এই ২৩ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা যাতে সংবাদ মাধ্যমে না যেতে পারে সে ব্যাপারে ব্যাংক কর্মকর্তারা গোপনীয়তা রেখেছেন।

এ ব্যাপারে বুধবার দুপুরে পূবালী ব্যাংক লি. খুলনার আপার যশোর রোড শাখার ম্যানেজার মো. মাহবুব হাসানের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপকালে তিনি বলেন, “বিষয়টি তদন্ত চলছে। কারও দোষ ত্রুটি বলা যাচ্ছে না।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ঋণ নীতিমালা অনুযায়ী খেলাপী ঋণ যাতে না বাড়ে সে জন্য ব্যাংক পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। আমরা সে অনুযায়ী কাজ করছি।”

এদিকে, ব্যাংকের বর্তমান ডিজিএম হুমায়ুন কবীরকে ব্যাংকে অনুপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। তিনি এ শাখায় গত রোববার যোগদান করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ