1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন

সংরক্ষিত মহিলা আসন: জামায়াতের প্রার্থী তালিকায় আমিরের স্ত্রীসহ শীর্ষ নেত্রীরা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৮ Time View

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৮টি আসনে জয় পাওয়ার পর সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

বর্তমান কাঠামো অনুযায়ী ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে দলটি আনুমানিক ১১ থেকে ১২টি আসন পেতে পারে বলে দলীয় সূত্রে ধারণা করা হচ্ছে।

এসব আসনে কারা মনোনয়ন পাবেন, তা নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের স্ত্রীসহ একাধিক শীর্ষ নেতার স্ত্রী এবং মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় নেত্রীদের নাম উঠে এসেছে।

দলীয় সূত্র বলছে, সংরক্ষিত আসনে অগ্রাধিকার পেতে পারেন আমিরের স্ত্রী আমেনা বেগম, যিনি অতীতে সংসদে জামায়াতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

এছাড়া নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের স্ত্রী হাবিবা রহমান এবং কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দের স্ত্রীর নামও আলোচনায় রয়েছে।

সাংগঠনিক নেত্রীদের মধ্যে মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দীকা, কেন্দ্রীয় নেত্রী ফাতেমা আক্তার হ্যাপি, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন, সাবেকুন্নাহার এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক মারদিয়া মমতাজের নাম শোনা যাচ্ছে।

জামায়াতের নীতিনির্ধারকদের মতে, যেসব এলাকা থেকে দলটির কোনো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হননি, সেসব অঞ্চলের যোগ্য ও নেতৃত্বদানে সক্ষম নারী নেত্রীদের সংরক্ষিত আসনে প্রাধান্য দেওয়া হতে পারে।

মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি তালিকা ইতিমধ্যে দলের আমিরের কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি এটি কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে উপস্থাপন করবেন এবং সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, যোগ্য নারী নেত্রীদের পাশাপাশি ভৌগোলিক প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

সংরক্ষিত আসন বণ্টন নিয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার পরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘জুলাই সনদ’ অনুযায়ী সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৫০ থেকে বাড়িয়ে ১০০ করার একটি প্রস্তাব রয়েছে। যদি আসন সংখ্যা ১০০ হয়, তবে জামায়াত ২৪টি আসন পেতে পারে।

সেক্ষেত্রে প্রার্থী নির্বাচনের পরিকল্পনাটিও আরও বিস্তৃত হবে। বর্তমান কাঠামো বজায় থাকলে প্রাপ্ত ১১-১২টি আসনের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ